নিজের সম্মান বৃদ্ধির এক শ্রেষ্ঠতম মাধ্যম


s-9কিছু আজিব টাইপ জীব বলে থাকে, “মানুষ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসা করতে করতে আল্লাহ্‌ পাকের চাইতে বেশি করে ফেলে!” আবার এটাও বলে, “এতো প্রশংসা করতে হয় না” নাউযুবিল্লাহ!!!

এ দুটো বক্তব্যের কোনোটিই শুদ্ধ নয়।কেননা,কায়িনাতের কারো পক্ষে কস্মিনকালেও সম্ভব নয় হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যেই শান-মান,মর্যাদা মুবারক তার ধারে কাছে যাওয়া!বেশি তো দূরে থাকুক!

আর যেখানে উনার নাম মুবারক মহান আল্লাহ্‌ পাক রেখেছেন “প্রশংসিত” সেখানে উনার প্রশংসা করবে নাতো কার করবে???

বে-আক্বল সম্প্রদায়!!!

পবিত্র কালাম পাকে মহান আল্লাহ্‌ পাক তিনিই নিজেই হাবীব পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম শান মুবারকে ইরশাদ মুবারক করেছেন , “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ (বৃদ্ধি) করেছি।” সুবহানাল্লাহ!!!

কতটুকু বৃদ্ধি করেছেন তার কোনো সীমা কি মহান আল্লাহ্‌ পাক নির্ধারণ করে দিয়েছেন????দেন নি।মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার প্রিয়তম হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মান মর্যাদা মুবারক বৃদ্ধি করতে করতে উনার নামের সাথেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক সংযুক্ত করে দিয়েছেন।সুবহানাল্লাহ!

ক্বিয়ামত পর্যন্ত শুধু আল্লাহ্‌ পাক উনাকে মেনে নিলেও কেউই ঈমানদার হবে না,যতক্ষণ না পর্যন্ত সে হাবীব পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মেনে না নিবে।

যেখানেই মহান আল্লাহ্‌ পাকের শান-মান ,মর্যাদা মুবারক রয়েছে সেখানে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান,মর্যাদা মুবারক রয়েছে।

মহান আল্লাহ্‌ পাকের সমতুল্য কেউ নেই,স্রষ্টা হিসেবে তিনি যেমন একক,সৃষ্টির মধ্যে উনার প্রিয়তম হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একক।কায়িনাতের কারো সাথে উনার তুলনা হবে না। সুবহানাল্লাহ!

এখন মূল যে বিষয় তা হচ্ছে,যেখানে উনার মর্যাদা মুবারকের কোনো সীমাই নির্ধারণ করা হয় নি সেখানে সীমা অতিক্রম করে কীভাবে ছানা-ছিফত করা যেতে পারে?!?

অর্থাৎ অসীম যার মর্যাদা মুবারক সেখানে অতিরিক্ততার কোনো সম্পর্ক নেই।মানুষ চাইলেও “বেশি যে প্রশংসা” তারা বলে, তা করতে পারবে না,করা সম্ভব না।

আমরা শুধু এটুকুই বলতে পারি যে,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু আল্লাহ্‌ পাক নন,এছাড়া যত শান-মান ,মর্যাদা মুবারক রয়েছে সমস্ত মর্যাদা মুবারকের অধিকারী তিনি।সুবহানাল্লাহ!

উনার প্রশংসা বেশি করে উনাকে কেউ আলাদাভাবে সম্মানিত করতে পারবে না,তবে যে-ই উনার শান-মান ,মর্যাদা মুবারক আলোচনা যত বেশি করবে সে-ই তার আলোচনার মাত্রা অনুযায়ী সম্মানিত,মর্যাদামন্ডিত হয়ে যাবে ।সুবহানাল্লাহ!

আর যে উনাকে যত বেশি মুহব্বত করবে সে ততবেশি উনার শান মুবারকে আলোচনা করতে পারবে।কেননা,যে যাকে মুহব্বত করে তার আলোচনাই বেশি করে।

এখন সেই আলোচনার বিশেষ এক মাস হচ্ছে সম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং বিশেষ দিন ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ।

তাই আমাদের সকলের কর্তব্য ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ তো অবশ্যই ,এছাড়াও প্রতিদিনই মীলাদ-ক্বিয়াম,তালিম-তালক্বীন,অনুসরণ-অনুকরণ করতঃ মুহব্বত মুবারক প্রকাশ করার মাধ্যমে “ফালইয়াফরহু” তথা খুশি মুবারক প্রকাশ করা।

মহান আল্লাহ্‌ পাক যেন আমাদের সকলকেই সেই তৌফিক দান করেন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে