“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মু’মিনগণ উনাদের নিকট জীবনের চেয়ে প্রিয়।”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মু’মিনগণ উনাদের নিকট জীবনের চেয়ে প্রিয়।”

ছয় উছুলী তাবলীগীরা মূলত ছয় উছুলী তাবলীগের ছদ্মাবরণে ইহুদী-নাছারাদের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে এবং বদআক্বীদা ও বদআমল প্রচার করে মুসলমান উনাদের ঈমান-আমল নষ্ট করছে।

কারণ তাবলীগীদের বক্তব্য অনুযায়ী তাবলীগের মজলিসে শূরার সদস্যদের সাথে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গোপন সম্পর্ক রয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকারসহ সকল মুসলমান দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- বাংলাদেশসহ সকল মুসলমান দেশে ছয় উছুলীদের সকল প্রকার কার্যক্রম, পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রকাশনা বন্ধ ঘোষণা করা।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ছয় উছুলী তাবলীগীরা যে ইহুদীদের খাছ এজেন্ট তার প্রমাণ হচ্ছে- তাদের কথিত বিশ্ব ইজতেমায় প্রতিবছরই দেখা যায়, ইউনিলিভার ও বাটা’র মতো বিভিন্ন ইহুদী মালিকানাধীন কোম্পানি স্পন্সর করে। এছাড়াও কাদিয়ানী কোম্পানি প্রাণ গ্রুপ ফ্রি পরিবহন সেবাসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করে। একমাত্র সমগোত্রীয় ছাড়া মুসলমানদের কোনো অনুষ্ঠানে কাফিরদের স্পন্সর ও সহযোগিতা কখনোই স্বাভাবিক নয়। তাছাড়া তাবলীগের প্রধান আমির নিযুক্তসহ বাংলাদেশের তাবলীগীদের প্রধান মারকাজ কাকরাইল নিয়ন্ত্রিত হয় মুশরিকদের আধিপত্যের দেশ ভারতের দিল্লির নিজামুদ্দীন মারকাজ থেকে। সম্প্রতি কাকরাইলে দুটি গ্রুপের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্বের মধ্যে একটি স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস করে দেয় তাবলীগেরই আরেক শীর্ষস্থানীয় আমির আবু সায়েদ। তথ্যটি হলো, দিল্লি থেকে নিযুক্ত কাকরাইল মসজিদ কমিটির আমির ও তাবলীগের মজলিসে শূরার সদস্য ও ফায়সাল ওয়াসিফুলের সাথে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গোপন সম্পর্ক আছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সবাই জানে- প্রচলিত তাবলীগ জামাত কথিত দাওয়াতী কাজে বিশ্বব্যাপী বাধাহীনভাবে বিচরণ করে। এমনকি আমেরিকায় টুইনটাওয়ার হামলার পরে যখন সারা বিশ্বে মুসলমানগণ যার যার দেশে কোণঠাসা হয়ে পড়ে, তখনও তাবলীগ জামাতের সদস্যরা বিশাল বিশাল গাট্টি নিয়ে অবাধে এক কাফির দেশ থেকে আরেক কাফির দেশে বাধাহীন বিচরণ করেছে। শুধু তাই নয়, কট্টর ইসলামবিদ্বেষী এবং মুসলমানদের প্রধান শত্রু ইহুদীদের দেশ ইসরাইলেও তারা কথিত দাওয়াতী কাজের বাহানা দিয়ে আসা যাওয়া করে। ইহুদীদের সাথে গভীর সম্পর্ক না থাকলে পশ্চিমা কাফির দেশগুলোতে এভাবে ফ্রী মুভমেন্ট সম্ভব নয়। পাশাপাশি ‘দৈনিক প্রথম আলো’ কিংবা ‘ডেইলি স্টার’ পত্রিকার মতো বিদেশ থেকে নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো তাদের দলভুক্ত ছাড়া কখনোই কোনো ব্যক্তির লেখা ছাপায় না, কিন্তু মোসাদের এজেন্ট তাবলীগের আমির ওয়াসিফুল ডেইলি স্টার পত্রিকার নিয়মিত কলামিস্ট। এসব তথ্য প্রমাণাদি দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, তাবলীগ জামাত আদৌ কোনো নিরীহ, নিষ্কলুষ দল নয়; বরং তারা ইহুদীদের ক্বায়িম-মাক্বাম হয়ে, ইহুদীদেরই নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী পরিচালিত হচ্ছে। মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ছয় উছুলীদের বক্তব্য হচ্ছে- “নবীজীকে ব্যঙ্গ করলে তার প্রতিবাদে কাউকে মৃত্যুদ- দেয়া ইসলাম সমর্থন করে না।” নাউযুবিল্লাহ! ছয় উছুলীদের এ বক্তব্য ডাহা মিথ্যা, মনগড়া, দলীলবিহীন এবং পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী। কেননা পবিত্র তাফসীর শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাব এবং বুখারী শরীফসহ আরো অনেক কিতাবেই উল্লেখ আছে যে, “স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্র শান মুবারক নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রƒপ করার কারণে ইহুদী ‘আবূ রাফে’ এবং “কা’ব বিন আশরাফ”কে লোক পাঠিয়ে তাদের শাস্তি মৃত্যুদ- জারি করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফায়ছালা মুবারক না মানার কারণে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কর্তৃক এক মুনাফিককে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার ঘটনা তো সবার মাঝেই মশহুর। তাহলে ছয় উছুলীদের উক্ত বক্তব্য কী করে গ্রহণযোগ্য হতে পারে? মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ছয় উছুলী তাবলীগীরা মূলত ছয় উছুলী তাবলীগের ছদ্মাবরণে ইহুদী-নাছারাদের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে এবং বদআক্বীদা ও বদআমল প্রচার করে মুসলমান উনাদের ঈমান-আমল নষ্ট করছে। কারণ তাবলীগীদের বক্তব্য অনুযায়ী তাবলীগের মজলিসে শূরার সদস্যদের সাথে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গোপন সম্পর্ক রয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকারসহ সকল মুসলমান দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, বাংলাদেশসহ সকল মুসলমান দেশে ছয় উছুলীদের সকল প্রকার কার্যক্রম, পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রকাশনা বন্ধ ঘোষণা করা।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে