নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘ইলম হচ্ছে আমল উনার ইমাম।’


সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে কোন্ বিষয়গুলো জায়িয বা হালাল এবং কোন্ বিষয়গুলো নাজায়িয বা হারাম এ সম্পর্কিত ইলম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত না থাকার কারণেই বর্তমানে মুসলমান উনারা হালাল কাজে মশগুল না থেকে, হারাম কাজে মশগুল থাকছে। নাউযুবিল্লাহ!
তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে-বাংলাদেশের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্ত সিলেবাসে হালাল-হারাম; বিশেষ করে- কিভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায়, সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলমী বিষয়গুলি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা। তাহলে সকল মুসলমান উনারা হারাম থেকে বিরত থেকে হালাল উনার মধ্যে মশগুল থেকে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হতে পারবেন।

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে কোন্ বিষয়গুলো হালাল এবং কোন্ বিষয়গুলো হারাম এ সম্পর্কিত ইলম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত না থাকার কারণেই বর্তমানে মুসলমান উনারা হালাল কাজে মশগুল না থেকে, হারাম কাজে মশগুল থাকছে। নাউযুবিল্লাহ! বিশেষ করে- কিভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায়, সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলম না থাকার কারণেই শিক্ষার্থীরা আজ বেদ্বীন-বদদ্বীন ও কাফির-মুশরিকদের বদণ্ডতাছিরে সন্ত্রাসের সাথে জড়িত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাংলাদেশের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্ত সিলেবাসে হালাল-হারাম; বিশেষ করে- কিভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায়, সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলমী বিষয়গুলি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হালালও স্পষ্ট, হারামও স্পষ্ট।” অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে যে বিষয়গুলো হালাল তা যেরূপ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, তদ্রƒপ যে বিষয়গুলো হারাম তাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। মূলত, যে বিষয়গুলো হারাম সে বিষয়গুলো জেনে তা থেকে বিরত থাকলেই হালালে মশগুল থাকা যাবে।

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সুদ, ঘুষ, শরাব, ব্যভিচার, জুয়া, দুর্নীতি, মালে ভেজাল, কৃত্রিম সঙ্কটের জন্য মজুদকারী, কালোবাজারী, ওজনে কম দেয়া, মিথ্যা বলা, ওয়াদা খিলাফ করা, ধোঁকা দেয়া, প্রতারণা করা, অপরের সম্পদ আত্মসাৎ করা, টিভি চ্যানেল দেখা ও প্রোগ্রাম করা, সিনেমা, নাটক, ফ্যাশন-শো, ছবি, ভিডিও, গণতন্ত্র, ভোট নির্বাচন করা, পদপ্রার্থী হওয়া, বেপর্দা হওয়া, গান-বাজনা করা, সর্বপ্রকার খেলাধুলা, নওরোজ (নববর্ষ) পালন করা অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ পালন করা, থার্টিফার্স্ট নাইট, ভ্যালেন্টাইন ডে, বাবা-মা দিবস, নারী দিবস, হাত ধোয়া দিবস, শ্রমিক দিবস (মে দিবস), এপ্রিল ফুল দিবস, রাখীবন্ধন, বসন্তবরণ, দুর্গাপূজা, সরস্বতী পূজা, জন্মাষ্ঠমী, বৌদ্ধপূর্ণিমা, ক্রিসমাস ডে, কাফির-মুশরিকদের জন্মজয়ন্তী, রজতজয়ন্তী, রোকেয়া দিবস, স্মৃতি স্তম্ভে ফুল দেয়া, মৃত্যের জন্য ১ মিনিট নীরবতা পালন করা, গণতন্ত্র কায়িমের নামে দলাদলী করা, হরতাল, লংমার্চ, অবরোধ, সন্ত্রাসবাদ, কুশপুত্তলিকাদাহ, হাঙ্গার স্ট্রাইক করা, দাড়ি কাটা, বিধর্মীদের পোশাক পরিধান করা, বিধর্মীদের প্রশংসা করা ও অনুসরণ-অনুকরণ করা, নারীটিজিং ইত্যাদি সবই হারাম ও কবীরা গুনাহ।

আশ্চর্যের বিষয় যে, ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে উল্লিখিত হারাম বিষয়গুলোর কোনো উল্লেখ নেই। তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাংলাদেশের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্ত সিলেবাসে হালাল-হারাম; বিশেষ করে- কিভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায়, সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলমী বিষয়গুলি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা। তাহলে সকল মুসলমান উনারা হারাম থেকে বিরত হয়ে হালাল উনার মধ্যে মশগুল থেকে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হতে পারবেন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে