নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মধ্যে- পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠকের নাম ও পিতার নামসহ পেশ করা হয়


হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মাঝে একজন হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম নিয়োগ করে রেখেছেন। যাকে সমস্ত মাখলুকের কথা শুনার শক্তি দান করেছেন। সুতরাং ক্বিয়ামত পর্যন্ত যে ব্যক্তিই আমার উপর পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠাতে থাকবে, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা আমার কাছে তাঁর নাম ও তাঁর পিতার নামসহ তাঁর পবিত্র দুরূদ শরীফ পৌঁছাতে থাকে যে অমুকের ছেলে অমুক আপনার উপর পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠিয়েছে। সুবহানাল্লাহ (দলীল: বাযযার, তারগীব ৪৯৯ পৃষ্ঠা)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যার কোনো কাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে সে যেন আমার প্রতি অধিক পরিমাণে পবিত্র দুরূদ শরীফ পড়ে। কেননা তা সকল দুঃখ, দুদর্শা, দুশ্চিন্তা ও বিপদাপদ দূরীভূত করে; রিযিক বৃদ্ধি করে এবং সকল প্রয়োজন মিটিয়ে দেয়। সুবহানাল্লাহ! (দলীল: দালায়েলুল খায়রাত)
আল্লামা হযরত দারানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার দরবার শরীফ উনার মধ্যে কোনো কিছুর সুওয়াল করতে চায়, তাহলে সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর বেশি পরিমাণে পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করে, অতঃপর তার প্রার্থনা পেশ করে, তারপর আবার যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর পবিত্র দুরূদ শরীফ পড়ে। সুবহানাল্লাহ!
কেননা একথা নিশ্চত যে মহান আল্লাহ পাক তিনি উভয় বারের পবিত্র দুরূদ শরীফ অবশ্যই কবুল করবেন। সুবহানাল্লাহ!
তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি বেমেছাল মেহেরবান হয়ে শুধু মাত্র দু’প্রান্তের দোয়া কবুল করবেন এটা হতে পারে না। বরং পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার সাথে সাথে দোয়াও কবুল করে নিবেন। সুবহানাল্লাহ! ইনশাআল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে