নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত ও আনুগত্য প্রকাশের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উদযাপন করা


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক ফরমান, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি লোকদেরকে বলে দিন যদি তারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করে, তবে যেন আপনার আনুগত্য প্রদর্শন করে।”

উল্লেখ্য, এই আনুগত্য শুধুমাত্র মৌখিকভাবে স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে নয়, বরং জাহিরে-বাতিনে, আমল-আখলাক্বে, আক্বীদায় সর্বক্ষেত্রে প্রদর্শন করতে হবে। সাধারণভাবেই পিতা-মাতা উনাদের আগমনে সন্তানের খুশি প্রকাশ করা, সম্মান প্রদর্শনে দাঁড়িয়ে যাওয়া, ভালো খানা-পিনার আয়োজন করা প্রত্যেকটিতেই পিতা-মাতাদের প্রতি সন্তানের আনুগত্যের প্রমাণ মিলে। তাহলে যিনি হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, যাঁকে সৃষ্টি করা না হলে আসমান-যমীন, লৌহ-কলম, আরশ-কুরশী কোনো কিছুই সৃষ্টি হতো না কোনো সন্তান কিংবা পিতা-মাতা উনাদের অস্তিত্ব আসতো না, যিনি গোটা উম্মাহ তো বটেই উপরন্তু কুল-কায়িনাতের পিতা, সেই সুমহান হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার মাস পবিত্র মাহে রবীউল আউওয়াল শরীফ-এ কেন জাঁকজমকভাবে সম্মান ও জৌলুস সহকারে গোটা বিশ্ববাসী পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করবে না। এক্ষেত্রে কেন মালউন ইবলিস শয়তান এবং তার মনুষ্যরূপী দোসরদের অনুসরণ করা হবে? এতে তো নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি আনুগত্য-মুহব্বত প্রমাণিত হবে না, বরং বিদ্বেষ জাহির হবে। নাউযুবিল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে