নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ কোনো বিষয়ই কোনো মুসলমান কখনোই বরদাশত করবে না


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ মু’মিন হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি, সমস্ত মানুষ অপেক্ষা এমনকি তার ধন-সম্পদ ও জীবনের চেয়েও আমাকে বেশি মুহব্বত না করবে।
তাই মুসলমান মাত্রই সে তার সমস্ত কিছু থেকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি মুহব্বত করে।
অথচ যবন ম্লেচ্ছ অস্পৃশ্য মালউন হিন্দু, মুশরিক, ইহুদী, নাছারাসহ তাবৎ বিধর্মীরা এবং তাদের এজেন্ট নামধারী মুসলমান মুরতাদগুলো একের পর এক ইন্টারনেটে ফেসবুক, ব্লগ, টুইটারে, বক্তব্য ও লিখনীতে অবিশ্বাস্যভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান, মান মুবারক উনার খিলাফ ঘটনা ঘটিয়েই চলছে। নাঊযুবিল্লাহ!
কাজেই স্মরণ করিয়ে দেয়া হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ কোনো বিষয়ই কোনো মুসলমান কখনোই বরদাশত করবে না।
অতএব, সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, অতিসত্বর এসব ইসলামবিদ্বেষী মহলগুলোর উপযুক্ত শরয়ী শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং তাদের অপতৎপরতা বন্ধ করা।
অন্যথায় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইহকাল ও পরকালে আযাব-গযবসহ কঠিন জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূল, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে যদি সৃষ্টি না করতাম তবে কুল-মাখলুকাত কোনো কিছুই সৃষ্টি করতাম না।”
আর পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার পবিত্র যিকির বা পবিত্র শান, মান মুবারক উনাকে আমি সমুন্নত বা বুলন্দ করেছি।”
কতটুকু সমুন্নত বা বুলন্দ করেছেন? খোদ পবিত্র কালেমা শরীফ উনার মধ্যে আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক সংযুক্ত করেছেন। সুবহানাল্লাহ! কোনো ব্যক্তি ক্বিয়ামত পর্যন্ত যদি শুধু লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু পড়ে তবুও সে মুসলমান হবে না যতক্ষণ সে মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম না পড়বে। সুবহানাল্লাহ! কাজেই দেখা যাচ্ছে যে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হলেন মুসলমান উনাদের পবিত্র ঈমান। অর্থাৎ উনার প্রতি কোনো কটূক্তি করা হলো মুসলমান উনাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে সর্বোচ্চ আঘাত হানা। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে ইসলামবিদ্বেষী হিন্দু, মুশরিক, ইহুদী, নাছারা ও মুসলমান নামধারী মুরতাদরা সে জঘন্য কাজটিই বিনা বাধায় একের পর এক করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ‘দৈনিক আল ইহসান শরীফ’ উনার বরাতে বলেন-
গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জিটি স্কুলের দশম শ্রেণীর ইংরেজি শিক্ষক যবন, স্লেচ্ছ, মালউন শংকর বিশ্বাস পাঠদানকালে, নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষিকা যবন ম্লেচ্ছ মালউন নুপুর রায় ষষ্ঠ শ্রেণীর হিন্দুধর্মের ক্লাসে, ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক যবন ম্লেচ্ছ মালউন মদন মোহন দাস তার সহকর্মী শিক্ষকদের এক সভায়, সম্প্রতি পাবনার সাঁথিয়ার রাজীব সাহা নামের এক যবন ম্লেচ্ছ অস্পৃশ্য মালউন নরপিচাশ ফেসবুকে- এছাড়াও ইহুদী-নাছারা, মুশরিক-হিন্দুদের এজেন্ট মুসলমান পরিচয় ধারণকারী মুরতাদরাও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মানহানিকর কাজ করছে। যেমন ঢাকার ধামরাইয়ে কালামপুর বাজারে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী ও হোমিওপ্যাথ ডাক্তার মুরতাদ আবদুস সালাম ইত্যাদি কাফির-মুশরিক, যবন, মেøচ্ছ, মুরতাদরা আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারক সম্পর্কে কটূক্তি করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রশ্ন হচ্ছে- এদেশের ৯৭ ভাগ অধিবাসী মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম। এদেশের মাত্র ২ ভাগ অধিবাসী হিন্দু-মুশরিকরা এরূপ জঘন্য মন্তব্য করার সাহস পায় কিভাবে? মূলত, সাম্প্রতিককালে ক্ষমতাসীন সরকারের শীর্ষ মহল থেকে এমন সব কিছু বক্তব্য বের হয়েছে যাতে করে হিন্দু ও মুরতাদরা ইসলামবিরোধী বক্তব্য দিতে উস্কানি পাচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ!
অথচ এই ক্ষমতাসীন সরকারই কিন্তু “সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কেনো আইন পাস হবে না”- এ প্রতিশ্রুতি দিয়েই ক্ষমতায় এসেছে। তাহলে ক্ষমতাসীন সরকার কি করে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ও সর্বোচ্চ সম্মানিত নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে বলতে পারে এবং বলার সুযোগ দিতে পারে। বিষয়টি প্রত্যেক ঈমানদারের জন্য চিন্তার বিষয়।
মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই স্মরণ করিয়ে দেয়া হচ্ছে- আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ কোনো বিষয়ই কোনো মুসলমান কখনোই বরদাশত করবে না। অতএব, সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- অতিসত্বর এসব ইসলামবিদ্বেষী মহলগুলোর উপযুক্ত শরয়ী শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং তাদের অপতৎপরতা বন্ধ করা। অন্যথায় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইহকাল ও পরকালে আযাব-গযবসহ কঠিন জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে