এবার…নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানের অবমাননায় প্রকাশ করা হয়েছে বই…নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! দোষীদের প্রতি জানাই তীব্র ধিক্কার এবং মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহবান জানাচ্ছি তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলার


কলকাতার বিজয় প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত ‘ভাঙ্গা মঠ’ নামক বইতে অত্যন্ত অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, আখেরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানের খিলাফ এবং চরিত্র মুবারক নিয়ে বাজে কটুক্তি করেছে। যেখানে আখেরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘নারী লোভী’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে তিনি যদি এ যুগে থাকতেন তাহলে উনার নামে সম্ভ্রমহানীর অভিযোগ আসতো। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!!!
‘ভাঙ্গা মঠ’ নামক বইটি থেকে কয়েকটি লাইন পাঠ করে শোনানো হলে বিজ্ঞ আদালত এমন কটুক্তিমূলক বক্তব্য শুনে আর পাঠ না করার জন্য আইনজীবিকে অনুরোধ করেন।
বাদী খোকন আরজীতে আরো উল্লেখ করেন, ‘ভাঙ্গা মঠ’ নামক উক্ত বই নিষিদ্ধ ঘোষণা, প্রকাশনা ও বিক্রয় বন্ধের আহ্বান জানান। আরজিতে আরো বলা হয়েছে, উক্ত বই যদি বিক্রি বন্ধ না হয় তবে দেশে অরাজকতা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে যা দেশ ও জাতীর জন্য কাম্য নয়।
মামলাটি বাদী পক্ষে পরিচালনা করেছেন এডভোকেট মুহম্মদ এনামুল হক।

উল্লেখ্য, মুসলমান নামধারী কুখ্যাত এ লেখকের বাড়ী ঢাকার পার্শ্ববর্তী বিক্রমপুরে।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য, নুর নবীজি হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কটুক্তি করায় ‘ভাঙ্গা মঠ’ নামক বইয়ের কুখ্যাত লেখক সালাম আজাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করা হয়েছে। গত ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি বা সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম সাইফুর রহমান উক্ত আদেশ প্রদান করেন। দণ্ডবিধি ২৯৫(ক)/২৯৮ ধারা মোতাবেক মামলাটি আমলে নেয়া হয়। মামলাটি দায়ের করেন বইটির পাঠক রাজধানীর হাতিরপুল সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা মরহুম মুহম্মদ ইয়াহিয়ার ছেলে মুহম্মদ মাহমূদ হাসান খোকন।

পাঠক,

মুসলমান নামধারী কুখ্যাত এ লেখকের বিরুদ্ধে মুসলমানগণের ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত হানার কারণে ইতোপূর্বেও অনেক  ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ  প্রতিবাদ করেছিলেন। সে যে একটা  কাট্টা  ইসলাম বিদ্বেষী সেটা দুই বছর আগেও প্রকাশ করা হয়েছিল পত্র পত্রিকায় । তার  দু’একটি প্রমাণ  নিচে দেয়া হল-

খবর: শেখ হাসিনার কাছে ভারতীয় মুসলিম নেতৃবৃন্দের আবেদনসালাম আজাদকে নিয়োগ দেবেন না
পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকজন মুসলিম নেতা কলকাতায় বাংলাদেশী দূতাবাসে ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে সালাম আজাদকে নিয়োগ না দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানিয়েছেন। সালাম আজাদ তাঁর বিভিন্ন লেখায় মহানবী হযরত মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে অপমান করেছেন বলে তাঁরা শেখ হাসিনার কাছে লিখিত আবেদনে এ আহ্বান জানান। খবর দ্য টেলিগ্রাফের ।
এই আবেদনে স্বাক্ষর করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের সাবেক প্রধান ওসমান গনি, সাহিত্য সাময়িকী ‘চতুরঙ্গের’ সম্পাদক আব্দুর রউফসহ বিশিষ্ট ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। সালাম আজাদের লেখাগুলো ইসলামবিরোধী বলে তাঁরা মন্তব্য করেন। আবেদনে স্বাক্ষরদাতারা বলেন, কলকাতা থেকে প্রকাশিত সালাম আজাদের ‘ভাঙ্গা মঠ’ বইটি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও ধর্মবিরোধী। বইটিতে হুযূরপাক  ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  উনার অসম্মান করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ভারত-বাংলাদেশে সম্পর্কের যে অগ্রগতি হয়েছে, সালাম আজাদের নিয়োগকে কেন্দ্র করে বন্ধুপ্রতিম এই দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি হতে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তাঁদের এই চিঠিটি সরকারী কোন ভাষ্য নয় বলেও তাঁরা মন্তব্য করেন। তাঁরা বলেন, “বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ। আমরা ভিন্ন দেশের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের কোন নিয়োগ সম্পর্কে মন্তব্য করতে পারি না। তবে আমরা সালাম আজাদ সম্পর্কে কিছু তথ্য উপস্থাপন করছি।” এ প্রসঙ্গে ভারতীয় মুসলিম নেতৃবৃন্দ সালাম আজাদের বিভিন্ন বই ও অন্য সব লেখা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরেন।

সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ

কোন নিয়োগ হয়নি কিন্তু চলছে তোলপাড়: কে এই সালাম আজাদ?- জনকন্ঠ

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে মামলা – প্রথম আলো
______________________________________________

সাতক্ষীরার ন্যাক্কারজনক ঘটনার পটভূমি:
গত ২৭ মার্চ, ২০১২ কালিগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিদ্যালয়ের মাঠে মঞ্চস্থ্ হয় ‘হুজুর কেবলা’ নামের চরম ইসলাম বিদ্বেষী এক নাটক। নাটকটির সংকলক একই গ্রামের জিয়াদ আলীর কুলাঙ্গার পুত্র শাহীন (২৮) এবং পরিচালক হিন্দু শিক্ষিকা  মিতা রানী। নাটকের বিভিন্ন অংকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে চরম ভাবে গোস্তাকি করে নারী লোভী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। (নাউযুবিল্লাহ)

সাতক্ষীরায় উগ্রবাদী হিন্দুদের দ্বারা ঘটিত এধরনের আরেকটি ঘটনা:

বলাবাহুল্য হিন্দু শিক্ষিকা কুলাঙ্গার মিতা রাণীর ঘটনা সাতক্ষীরায় এই বারই প্রথম নয়। এর আগেও ২০১১ সালে ১৬ই অক্টোবর সুশান্ত নামক এক চরম ইসলাম বিদ্বেষী উগ্রবাদী হিন্দু একই ঘটনা ঘটায়।সংবাদ ভাষ্য, “নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র আমিনুর, মাহফুজ, দেলোয়ারসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, গত রোববার নবম শ্রেণীর ‘ক’ গ্রুপের বাংলা ব্যাকরণের কাস নিচ্ছিলো কুলাঙ্গার শিক্ষক  সুশান্ত কুমার ঢালী (২৬)। এ সময় সে বলে, আমি তোমাদের একটি গল্প বলব। যদিও গল্পটি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আসতে পারে। তবে এতে তোমরা কেউ কিছু মনে করবে না। গল্পটি হলো- এক জায়গায় একজন হিন্দু সাধু, মুসলমানদের একজন মৌলভী ও একজন বিদেশী ভদ্রলোক ছিলো। এদের মধ্যে প্রথমে হিন্দু সাধু বলে, কৃষ্ণচূড়া নামটি আমাদের কৃষ্ণের নামের সাথে মিলিয়ে রাখা হয়েছে। তখন মৌলভী বলে, এটি মোহাম্মদ চূড়া হলে ভালো হতো। এরপর হিন্দু সাধু একইভাবে কৃষ্ণনগর ও গোপালগঞ্জের কথা উল্লেখ করলে মৌলভী বলে, এটা মোহাম্মদনগর এবং মোহাম্মদগঞ্জ হলে ভালো হতো। অতঃপর একটি রাম ছাগল সেখানে আসার পর মৌলভী একই ভঙ্গিতে বলে, রাম ছাগলের পরিবর্তে মোহাম্মদ ছাগল হলে ভালো হতো। এ কথা বলার পর শিক সুশান্ত ঢালী ব্যঙ্গাত্মকভাবে হাসতে থাকে।” (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
(বিষয়গুলো সরাসরি লেখা আদবের খেলাফ হলেও বর্তমান পরিস্থিতি কতটুকু ভয়াবহ অবস্থানে পৌছেছে এবং হিন্দুরা কতটুকু ইসলাম বিদ্বেষী তা বুঝানোর জন্যই বিস্তারিত উপস্থাপন করা)

প্রিয় নবীজি উনার শান মুবারক:
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানকে বুলন্দ করেছেন। পবিত্র কুরআন শরীফ ইরশাদ হয়েছে,

وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ ﴿الشرح: ٤﴾

“আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (সূরা ইনশিরাহ-৪)
মহান আল্লাহ পাক উনার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানকে বুলন্দ করে স্বয়ং নিজের নাম মুবারকের সাথে সংযুক্ত করে দিয়েছেন। যা আমরা পবিত্র কলেমা শরীফ এ দেখতে পাই,
“ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসুলুল্লাহ” (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
বলাবাহুল্য কোন ব্যক্তি যদি সারা জীবন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করে তবে সে কষ্মিনকালেও মুসলমান হতে পারবে না,
যতক্ষণ যে মুহম্মদুর রসুলুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঠ না করবে। (সুবহানাল্লাহ)
অর্থাৎ আমাদের প্রিয় নবীজি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক কথায় শুধু আল্লাহ পাক নন, এছাড়া সকল মর্যাদা, শান-মান মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাদিয়া করেছেন। (সুবহানাল্লাহ)

মুবারক শানের খেলাফ করার শাস্তি:
হাদীসে কুদসী শরীফে আছে, “কোন ব্যক্তি যদি কোন আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনার বিরোধীতা করে, তবে স্বয়ং আল্লাহ পাক তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।”
তাহলে যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার প্রিয়তম বন্ধু, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানের খেলাপ করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি কতটুকু অস্তুষ্ট হবেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
উদারহণ স্বরূপ আমরা, সূরা লাহাব-এর কথা বলতে পারি। যেখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানের খেলাপ বলায় এবং উনাকে কষ্ট দেয়ায় স্বয়ং আল্লাহ পাক আবু লাহাবের ধ্বংস কামনা করেছেন, লানত দিয়েছেন। আর তাই আবু আবু লাহাবের মৃত্যু ঘটেছে পচে গলে, চরম লাঞ্চিত হয়ে।

অপরাধীদের বার বার রক্ষা করা হচ্ছে:
৯৭% মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে গত কয়েকবছর যাবত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে অবমাননা করার ঘটনা বেশ কয়েকবার ঘটেছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তো এদের বিরুদ্ধে তো এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, মুসলমানদের মধ্যে বড় ধরনের কোন প্রতিবাদের ঘটনাও ঘটেনি। সরকার এদের লোক দেখানো সাময়িক গ্রেফতার করলেও পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দিচ্ছে। অপরাধীদের কোন বিচারই হয়না।

প্রতিবাদ হচ্ছে, চাই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি:
সাতক্ষীরাবাসী ইসলাম বিদ্বেষী ঘটনায় এর জোর প্রতিবাদ করেছে। এই সকল নবী প্রেমীদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন, তাদের জন্য থাকল অন্তরের অন্তস্থল থেকে অফুরস্ত দোয়া। কিন্তু এখানেই যেন শেষ না হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানদের উচিত এর বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ করা, একই সাথে অপরাধীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, এমনভাবে জনসম্মুখে তাদের শাস্তি কার্যকর করা, যেন ভবিষ্যতে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার আর পূনরাবৃত্তি না ঘটে। প্রকৃতপক্ষে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দেয়ার অভাবেই এই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটে চলেছে।

অপরাধীদের সহযোগীদেরও শাস্তি চাই:
এখানে আরেকটি বিষয় বলা যেতে পারে, যে ব্যক্তিরা এই অপরাধগুলো করছে শুধু তাদের শাস্তি দিলেই হবে না, যারা এগুলোর পক্ষে কথা বলছে এবং অপরাধীদের সাহায্য করে যাচ্ছে তাদের গ্রেফতার করা দরকার আছে।
যেমন: আলপিনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন লেখার পর কার্টুনিস্ট আরিফকে বাচানোর জন্য অনেক সংগঠন উঠে পড়ে লাগে।
আবার সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের ঘটনা অনেক পত্রিকায় বিকৃত করে লেখা হয়।
দৈনিক জনকণ্ঠে লেখা হয়, “ধর্মান্ধদের হামলায় জ্বলছে সাতীরার ফতেপুর গ্রাম,পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক।”
আইএনবি সংবাদ সংস্থায় বলা হয়, “সাতীরায় হুজুর কেবলার নাটকের জের : বাড়িঘরে আগুন ও ভাংচুর”। উক্ত খরবে মুসলমানরা হিন্দুদের বাড়িঘর লুট করেছে বলে দাবি করা হয়। (নাউযুবিল্লাহ)

আমরা কি ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানাব না? আমরা কার শাফায়াত চাই?
আমরা যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত বলে দাবি করে থাকি তারা উনার মুবারক উনার শানের খেলাফ দেখলে কি করব?
আমাদের উম্মতদের উচিত এর জোর প্রতিবাদ করা। কারণ কিয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহ পাক তিনি যদি আমাদের জিজ্ঞাসা করেন, “হে ব্যক্তি তোমার সামন্ েআমার প্রিয়তম বন্ধু, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানের খেলাপ করা হয়েছিল, তুমি কি এর প্রতিবাদ করেছিলে, তোমাকে আজ কে নাযাত দিবে?”—–
তখন আমরা কি বলব?
আবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যদি জিজ্ঞেস করেন,
“হে ব্যক্তি, তুমি তো আমার উম্মত দাবি কর, আমার শাফায়াত চাও, তাহলে যখন আমার বিরুদ্ধে বলা হল, তখন তোমরা কেন এর প্রতিবাদ করলে না? অপরাধীর কেন শাস্তি দিলে না? এখন, তোমাদের কে শাফায়াত করবে?
তখন আমরা কি উত্তর দেব?

মুসলমানগন প্রতিবাদ করতে জানে:

বাংলার মুসলমানগন প্রতিবাদ করতে জানে। ১৯৫২ সালে তারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে, যা পৃথিবীর  ইতিহাসে একমাত্র নজির। ১৯৭১  সালে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা  এনেছে ।তাহলে সেই বাংলার মুসলমানগণ নিজেদের প্রাণের চেয়ে অধিক প্রিয়, যিনি মুসলমানদের   ঈমান   উনার সম্মানার্থে কি প্রতিবাদ করতে পারে না? উনার শানে বেয়াদবী প্রদর্শনকারী কুলাঙ্গারগুলোকে জমিনের সবচেয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে পারে না?
সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা যদি চিরতরে  এসব কুলাঙ্গারদের শয়তানী বন্ধ না করে, তাহলে  নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার উম্মতগণ কখনো চুপ থাকবে না।

এই ন্যাক্কারজনক  অপরাধের শাস্তি প্রদানের প্রতিদান কি?

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি  ওয়া সাল্লাম  উনার মুবারক শানে বেয়াদবী করার কারনে  কা’ব বিন আশরাফ, আবু র’ফে র মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করা হয়  এবং হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ  উনারা তা কার্যকর করেন। নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার জন্য পরিপূর্ন  নিবেদিত হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা  আনহুম  উনাদের জন্য আখিরতে অসীম প্রতিদানতো রয়েছেই দুনিয়াতেই  আল্লাহ পাক  উনাদের জন্য চিরতরের সন্তুষ্টি ঘোষনা করলেন।

আল্লাহপাক  ইরশাদ করেন,

رَّضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ
অর্থ: আল্লাহপাক  উনাদের  উপর সন্তুষ্ট, উনারা ও আল্লাহপাক উনার উপর সন্তুষ্ট।

সুরা বাইয়্যিনাহ (আয়াত  শরীফ নং-৮)

ঠিক  উম্মতের কেউ যদি  নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি  ওয়া সাল্লাম উনার জন্য নিবেদিত হয়ে কোন খিদমত করে তাহলে তিনি  ও একই পুরস্কার অর্থাৎ  আল্লাহ পাক  এবং  উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি  ওয়া সাল্লাম উনাদের অনন্তকালের সন্তুষ্টি লাভ করবে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে অবমাননা করে ব্রিটিশ আমলে এরকম এক মুরতাদ ‘রঙ্গীলা রসূল’ নামক বিদ্রুপাত্মক বই লিখেছিলো। তখন একজন মুসলমান তাকে কতল করে ইসলামে বর্ণিত মুরতাদের শাস্তি বাস্তবায়ন করেন। কোর্টে উকিল তাকে একটু মিথ্যা বলার জন্য অনুরোধ করলে সে জবাব দেয়, “আমি দেখতে পাচ্ছি দয়ার নবীজী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে জান্নাতে আহ্বান করছেন। সুতরাং আমার মিথ্যা বলার দরকার নেই”। (সুবাহানাল্লাহ)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বিগত কয়েক বছরে ঘটে যাওয়া  এধরনের ন্যাক্কারজনক  ঘটনাগুলোর পিছনে দেখা গেছে  উগ্রবাদী হিন্দুরাই সরাসরি জড়িত। শতকরা ৯৭% মুসলমানের দেশে ১.৭৫% হিন্দু কি করে এ সাহস পায়? তাহলে এর পিছনে কি কোন ষড়যন্ত্রকারীগোষ্ঠী রয়েছে? বাংলার মুসলমানদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো, এর পিছনে যারাই থাকুকনা কেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে তাদেরকে ভয়াবহ মূল্য দিতে হবে। কারন, কালামুল্লাহ শরীফে আল্লাহ পাক  ইরশাদ করেন,”

إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ

অর্থ: “নিশ্চয়ই আপনার শত্রুরা নির্বংশ। (সুরা কাউসার- আয়াত শরীফ-০৩) 

কাজেই বিদ্বেষপোষনকারী, বিরোধীতাকারীরা নির্বংশ হবেই হবে।  এতে কোন সন্দেহ নেই। অতীতের প্রত্যেকেই নির্বংশ হয়েছে।

<======>সাম্প্রতিক আপডেট <=======>

ঢা.বি. জঘন্যনাথ (হিন্দু) হলের হিন্দু ছাত্রদের  উগ্রবাদী কর্মকান্ড:

ঢা. বি.  এর হিন্দু হল জঘন্যনাথ (জগন্নাথ) হলের হিন্দু ছাত্ররা  সাতক্ষীরার অবমাননাকর নাটকের সমর্থনে  এবং দোষীদের ঘরবাড়ি পোঁড়ানের কারনে গত বৃহস্পতিবার (৫ই  এপ্রিল ২০১২) রাতে এবং দিনে শাহবাগসহ ঢা. বি  এলাকায় ব্যাপক অরাজকতা, সাম্প্রদায়িক, উগ্রবাদী কর্মকান্ড  চালায়। দিনের বেলায় তাদের  এ অরাজকতামূলক কর্মকান্ডের কারনে   উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষার্থী সহ, পি.জি হাসপাতাল, বারডেম এর রোগী , পথচারীসহ  ওই  এলাকার নগরবাসীরা চরম ভোগান্তীর শিকার হয়। বিশেষ করে   উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা অনেক সময়মতে পৌছাতে না পারার কারনে  এবং রাস্তার অরাজকতার কারনে পরীক্ষা খারাপ করে।

৯৭% মুসলমানের দেশে  কিছু হিন্দু  নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ , হুযুরপাক সল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার শানে বেয়াদবী করে, আবার দেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কয়েকটি হিন্দু ছাত্র ওই বেয়াদবীমূলক কর্মকান্ডের সমর্থনে উগ্রবাদী  কর্মকান্ড  , অরাজকতা চালায়, শহরের মধ্যে অবরোধ করে, আতংক সৃষ্টি করে! কিন্তু   এত কোটি মুসলমান থাকতে  এ দেশে কয়েকটি হিন্দু অরাজকতা,  উগ্রবাদী কর্মকান্ড চালানোর সাহস পায় কি করে?

এ অবস্থায়  ও কি মুসলমান ঘুমিয়ে থাকবে? জেগে  উঠবে না? নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ , হুযুরপাক সল্লাল্লাম হুযুরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার প্রতি নিজেদের মহব্বত প্রমান করবেন?  ঈমানদারের পরিচয় দিবে না?

মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা  ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি:

ক্ষমতাসীন সরকারের রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন যে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী। যে কিনা ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের কয়েকটি হিন্দু ছাত্রের  উগ্রবাদী, অরাজকতামূলক কর্মকান্ড সমর্থন করে বলেছে,ছাত্রদের  এধরনের  উগ্রবাদী, সহিংস, অরাজকতামূলক কর্মকান্ডে সে আপ্লুত, উদ্বেলিত।

রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামের দেশে তাকে মন্ত্রী করা হলো! আর সেই মন্ত্রী দেশে  উগ্রবাদ,  ইসলাম বিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা সমর্থন করছে। আমরা তার  এ ধরনের ব্ক্তব্যের নিন্দা   এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাই। অথচ মন্ত্রীসভার প্রায় সকল সদস্য মুসলমান দাবী করে। তারা কোন প্রতিবাদ করলো না! আমরা  উক্ত মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী করছি অথবা সরকারের সাথে সংশ্লিষ্টরা যদি নিজেদেরকে মুসলমান মনে করে, তবে  উক্ত মন্ত্রীকে যেন অতিসত্ত্বর বরখাস্ত করে।

আমরা মুসলমান হিসেবে  আবারো আহবান জানাবো, সকলে   নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ , হুযুরপাক সল্লাল্লাম হুযুরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার প্রতি নিজেদের মহব্বত প্রমান করে   ঈমানদারের পরিচয় দিবেন।

কথিত পূজা উদযাপন কমিটির সাম্প্রদায়িক উস্কানী:

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার মুবারক শানে বেয়াদবীমূলক কর্মকান্ডের সমর্থনে  এবং দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক কর্মকান্ড ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ১৩ এপ্রিল দেশজুড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ ঢেকেছে সাম্প্রদায়িক, হিন্দু মৌলবাদীবাদী সংগঠন কথিত পূজা  উদাযপন পরিষদ। ৯৭% মুসলমানের দেশে মুসলমানের বিরুদ্ধে, নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক সল্লাল্লাহু আলাহি  ওয়া সাল্লাম   উনার শানের খিলাফ কর্মকান্ডের সমর্থনে  উগ্রবাদী,সাম্প্রদায়িক হিন্দুগোষ্ঠী কিভাবে এত কুতৎপরতার চালাতে পারে?

মুসলমানগণ! নিজেদেরকে  ঈমানদার দাবী করলে ,   উগ্রবাদী, সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের  এহেন কুকর্মের প্রতিবাদ করুন।

২য়   আপডেট

রেলমন্ত্রীর  উপর খোদায়ী গযব: দেশের টাকা লুট-পাটে ধরা পড়েছে রেল মন্ত্রী রঞ্জিত সেন গুপ্তের  এ পি এস। রেলওয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা কালেকশন করতে গিয়ে ড্রাইভারকে ভাগ না দেওয়ায় সে ধরিয়ে দেয়।টাকার বস্তাসহ  আটক করে পুলিশ।  উল্লেখ্য  এ মন্ত্রী দেশের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা   উস্কে দিচ্ছে  এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদেরকে  উগ্রতা  এবং সহিংসতায় মদদ দিয়েছে।  এর ফল স্বরূপ খোদায়ী গযব তার  উপর  আপতিত হয়েছে। সে তার দুষ্টুমি বন্ধ না করলে আরো বড় গযব অপেক্ষা করছে তার জন্য।

৩য়  আপডেট

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক সল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার মুবারক শানে কটুক্তির প্রতিবাদে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এবং ওলামালীগের মানব বন্ধন

১১  এপ্রিল রোজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে হাজার হাজার ছাত্র জনতা  উপস্থিত হয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার মুবারক শানে কটূক্তির প্রতিবাদ করেন  এবং দোষী ব্যক্তিদের ফাঁসি দাবী করেন।  উপস্থিত ছাত্র জনতা সাম্প্রদায়িক উস্কানির কারনে রেল মন্ত্রী  রঞ্জিত সেন গুপ্তের বহি:স্কার দাবী করেন। এবং ভবিষ্যতে  এধরনের ঘটনা না ঘটার জন্য সাবধান করে দেন।

৪র্থ আপডেট

কথিত বাক স্বাধীনতার মুখে ছাই দিয়ে কুলাঙ্গার চক্রান্তকারীরা “দৈনিক দৃষ্টিপাত” পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ করে। ওই দৈনিক পত্রিকার  একটিই দোষ। কেন পত্রিকাটি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কটুক্তির খবর প্রকাশ করেছে? আমরা  এহেন জুলুমের  এবং স্বৈরাচারীতার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ৯৭% মুসলানের দেশ বাংলাদেশের মুসলমানদের প্রতিবাদী মুখ স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃন্য ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মুসলমানদের অবশ্যই রুখে দাঁড়াতে হবে। পৃথিবীর  ইতিহাসে কোথাও  এ নজির নেই যে, সংখ্যা লঘুদের দ্বারা সংখ্যা গুরু নির্যাতিত। প্রত্যেক মুসলমানের সামান্যতম প্রতিবাদই  এ সব র্ঘন্য চক্রান্ত নস্যাত করে দিতে পারে। তাই ঘুমিয়ে থেকে মুসলমানদের সচেতন   হওয়া এবং প্রতিবাদী হওয়া  ঈমানী দায়িত্ব।

 

br / আমরা মুসলমান হিসেবে  আবারো আহবান জানাবো, সকলে   নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ , হুযুরপাক সল্লাল্লাম হুযুরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনার প্রতি নিজেদের মহব্বত প্রমান করে   ঈমানদারের পরিচয় দিবেন।

কলকাতার বিজয় প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত ‘ভাঙ্গা মঠ’ নামক বইতে অত্যন্ত অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, আখেরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানের খিলাফ এবং চরিত্র মুবারক নিয়ে বাজে কটুক্তি করেছে। যেখানে আখেরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘নারী লোভী’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে তিনি যদি এ যুগে থাকতেন তাহলে উনার নামে সম্ভ্রমহানীর অভিযোগ আসতো। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!!!/p

p

/pbr /br /

Views All Time
2
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+