নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-তিনি সর্বত্র হাযির-নাযির: একটি দলিল সমৃদ্ধ পোষ্ট


মূলতঃ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যেহেতু সমগ্র কায়িনাত সৃষ্টির পূর্বেই সৃষ্টি করা হয়েছে। তাই তিনি সর্বকালে, সর্বযুগে, সর্বাবস্থায় হাযির-নাযির ছিলেন, আছেন, ক্বিয়ামত পর্যন্ত থাকবেন ও ক্বিয়ামতের পরে অনন্ত কাল থাকবেন। এ মর্মে ইরশাদে রব্বানী হচ্ছে- الم تر ان الله خلق السموت والارض بالحق.

অর্থ: হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি  কি দেখননি? যে মহান আল্লাহ পাক আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যস্থিত সমস্ত কিছুই সঠিক ও সুন্দরভাবে সৃষ্টি করেছেন। অর্থাৎ সমগ্র কায়িনাত বা মাখলূকাত সৃষ্টির সময় আপনি হাযির-নাযির থেকেই সবকিছুই দেখছেন। মূলকথা হচ্ছে আল্লাহ পাক যখন কুল কায়িনাত সৃষ্টি করেন তখনও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান দরবারে ইলাহীতে উপস্থিত ছিলেন ও সবকিছু দেখেছেন।আল্লাহ পাক আরো বলেন- الم تر كيف فعل ربك باصحاب الفيل অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি দেখেননি, আপনার প্রভু হস্তীবাহিনীদের কি অবস্থা করেছেন?” (সূরা ফীল-১)

الم تر كيف فعل ربك بعادঅর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি দেখেননি, আপনার প্রতিপালক আদ জাতির সঙ্গে কিরূপ আচরণ করেছেন?” (সূরা ফজর-৬)

‘আদ’ জাতি ও ‘হস্তিবাহিনীর ঘটনাবলী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যমীনে আগমণের অনেক আগেই সংঘটিত হয়েছিল, অথচ বলা হচ্ছে الم تر আপনি কি দেখেননি? অর্থাৎ আপনি দেখেছেন। এ আয়াত শরীফসমূহ থেকে এটাই ছাবিত হলো যে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টির শুরু থেকে সর্বকালে, সর্বযুগে, সর্বাবস্থায় কায়িনাতে যত ঘটনা ঘটেছে তা সবই তিনি হাযির-নাযির থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন বা দেখেছেন।

সর্বপরি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাযির ও নাযির হওয়া সম্পর্কে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ফতওয়া হলো, “তিনি আল্লাহ্ পাক-এর প্রদত্ত্ব ক্ষমতায় ছিফত হিসেবে হাযির-নাযির।” এবং জাতিগতভাবেও যেকোন সময় যেকোন স্থানে হাযির-নাযির হওয়ার ইখতিয়ার রয়েছে।আল্লাহ্ পাক বলেন, وما ارسلنك الا رحمة للعلمين.অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমস্ত আলমের জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছি। (সূরা আম্বিয়া-১০৭) উল্লেখ্য যে, মহান আল্লাহ পাক হচ্ছেন رب العلمين (রব্বুল আ’লামীন) সমস্ত আল্লমের রব। আর হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন رحمة للعلمين (রহমাতুল্লিল আ’লামীন) সমস্ত আলমের জন্য রহমত। অর্থাৎ রব্বুল আলামীনের রুবুবিয়্যত যত কিছুর জন্য প্রযোজ্য رحمة للعلمين এর রহমত তত কিছুর জন্যই প্রযোজ্য।  আল্লাহ পাক-এর রুবুবিয়তের বাইরে যেমন কোন কিছু নেই তেমিন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর رحمة থেকে খালি কোন কিছুই নেই।এ সম্পর্কে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,ورحمتى وسعت كل شىءঅর্থ: “আর আমার রহমত সবকিছুকে বেষ্টন করে আছে।” (সূরা আ’রাফ-১৫৬) অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক প্রদত্ত ক্ষমতায় রহমত হিসেবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টি জগতের সবকিছুতে বিরাজমান।আল্লাহ পাক-এর সৃষ্টি জীবের মধ্যে এমন কোন বিষয় নেই, এমন কোন স্থান নেই, এমন কোন বস্তু নেই  যেখানে রহমত নেই। আল্লাহ পাক-এর কায়িনাতে বায়ুশূন্য স্থানের যেমন কোন  অস্তিত্ব পাওয়া যাবে না অনুরূপ রহমতশুন্য স্থানের অস্তিত্বও পাওয়া যাবে না। সুতরাং আল্লাহ পাক-এর রহমত তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমগ্র কয়িনাতকে বেষ্টন করে আছেন।এ সম্পর্কে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ ফরমান- ان رحمة الله قريب من المحسنين অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক-এর রহমত (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহগণের নিকটেই রয়েছেন। (সূরা আ’রাফ- ) অর্থাৎ হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহগণ মহান আল্লাহ পাক-এর রহমত তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে লাভ করেই ওলীআল্লাহ হন। আর সে কারণেই আওলিয়ায়ে কিরামগণ মহান আল্লাহ পাক-এর রহমত তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দায়িমীভাবে দেখে থাকেন।

হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, .ارباب قلوب مشاہدہ  می کنند در بیدا ری انبیاء و ملائکہ راو ہمکلام می شوند بایشاں অর্থ: “খোদায়ী নূরে আলোকিত অন্তর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ  জাগ্রত অবস্থায় হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ফেরেশ্তাগণকে দেখতে পান, তাঁদের সাথে কথাবার্তাও বলেন।” ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি “কাছীদায়ে নু’মান” নামক প্রশংসামূলক কাব্যগ্রন্থে বলেছেন, .واذا سمعت فعنك قولا طيبا + واذا نظرت فلا ارى الاك অর্থঃ- “হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন তিনি করে বলছেন, “হে নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যখনই আমি কিছু শুনি শুধু আপনার মুবারক ক্বওল শরীফই শুনি আর যখন কোন দিকে তাকাই তখন আপনি ছাড়া আর কিছুই আমার দৃষ্টিগোচর হয়না।” হযরত ইমাম আযম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি কুফা নগরে অবস্থানকালীন সময় চতুর্দিকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখতে পেতেন।

“তাবাকাত” কিতাবের ২য় খন্ডের, ১৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, হযরত ইমাম আবুল আব্বাস মারাসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেছেন لى اربعون سنة ما حجبت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم لو حجبت طرفة عين ما اعددت نفسى من جملة المسلمين. অর্থঃ “আজ চল্লিশ বৎসরব্যাপী আমি রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর (দর্শন) হতে বঞ্চিত হইনি। যদি এক নিমেষও তাঁর দর্শন হতে বঞ্চিত হতাম তাহলে আমি নিজেকে মুসলমান বলে পরিগণিত করতাম না।” অর্থাৎ যখন তিনি ঐ কথা বলেছেন তার চল্লিশ বছর পূর্ব হতে তখন পর্যন্ত এবং তারও পরে আজীবন তিনি আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দায়েমী দীদারে মশগুল ছিলেন।মুজাহিদে আ’যম, মুজাদ্দিদে জামান হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং কুতুবুল ইরশাদ, হাফিযে হাদীছ হযরতুল আল্লামা রুহুল আমীন বশিরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন আমরা যখন কোন হাদীছ শরীফ বর্ণনা করি তখন সরাসরি আল্লাহ পাক-এর হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের সামনে দেখতে পাই। সরাসরি হাদীছ শরীফ জেনে বা তাহকীক করে তা বর্ণনা করে থাকি।

তাযকিরাতুল আওলিয়া ২য় খণ্ড উল্লেখ করা হয়েছে- আল্লাহ পাক-এর খালিছ ওলী হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর কাছে উনার একজন মুরীদ খারকান শহর থেকে শাম দেশে গিয়ে ইলমে হাদীছ শিক্ষার অনুমতি চাইলেন। তিনি মুরীদকে বললেন, তুমি শাম দেশে যাবে কেন? খারকান শহরে কি কোন বড় মুহাদ্দিছ নেই। তখন শায়খ রহমতুল্লাহি আলাইহি নিজেই বললেন, তুমি হাদীছ শরীফ পড়বে, আমার কাছেই তো পড়তে পার। তখন  সেই মুরীদ মনে মনে ফিকির করলো আমার শায়খ হযরত আবুল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তো কোন মাদ্রাসায় লেখা-পড়া করেননি। তিনি কি করে আমাকে হাদীছ শরীফ পড়াবেন? সে কোন উত্তর না দিয়ে মজলিস শেষে চলে গেল। রাত্রি বেলায় ঐ মুরীদ স্বপ্নে দেখলো- আল্লাহ পাক-এর হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলতেছেন, হে ব্যক্তি তুমি সাবধান হয়ে যাও! তুমি জান, তোমার শায়খ হযরত আবূল হাসান খারকানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্তমান বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ। কাজেই তুমি উনার কাছে গিয়ে ক্ষমা চাও এবং উনার কাছেই হাদীছ শরীফ শিক্ষা কর। সে ব্যক্তি তাই করলো। হাদীছ শরীফ পড়ানোর সময় শায়খ মুখস্থ পড়ান আবার কিতাবে লিখা না থাকা সত্ত্বেও কোনটি কোন ধরনের হাদীছ শরীফ তাও তিনি বলে দেন। অনেক দিন পরে সেই মুরীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন যে, আমি হাদীছ শরীফ পড়ানোর সময় রহমতুল্লিল আলামীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমার সামনে দেখতে পাই। উনার নিকট থেকে জেনেই আমি তোমাকে পড়াই ও সব কথা বলি। (সুবহানাল্লাহ)

এছাড়াও কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস থেকেও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম তিনি যে হাযির ও নাযির তার অকাট্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যখন তীরের আঘাতে নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-উনার পবিত্র শরীর ঝাঁঝরা হয়ে ফিনকি দিয়ে সারা শরীর মুবারক থেকে রক্ত বের হতে লাগলো, তখন উনি বার বার মুখে হাত দিয়ে বললেন, বদবখতের দল! তোমরাতো তোমাদের নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর লেহাজও করলে না। তোমরা নিজের নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বংশধরকে কতল করছো! এভাবে যখন তিনি আর একবার মুখের উপর হাত দিলেন, তাঁর চোখের সামনে আর এক দৃশ্য ভেসে উঠল। তিনি দেখতে পেলেন, স্বয়ং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত মুবারকে একটি বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। হযরত আলী র্ক্রাামাল্লাহু ওয়াজ্্হাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত ফাতিমাতুয্্ যাহরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহাও পার্শ্বে আছেন আর বলছেন, ‘হুসাইন! আমাদের দিকে তাকাও, আমরা তোমাকে নিতে এসেছি।’হযরত ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-উনার কাপড় রক্তে ভিজে যাচ্ছিল আর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই রক্ত বোতলে ভরে নিচ্ছিলেন এবং বলছিলেন, ‘হে আল্লাহ পাক! হুসাইনকে পরম ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করুন।’ (দলিল: কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস)

উপরে বর্ণিত মিলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বত্র হাযির ও নাযির সম্পর্কিত দলিল সমূহ মূলতঃ শত সহ¯্র দলিল সমূহের মধ্য থেকে সামান্য কয়েকটি দলিল সংকলন করে সংক্ষেপ আকারে পেশ করা হয়েছে। আসলে মু’মিনের জন্য একটি দলিল’ই যথেষ্ট। আর যারা বদ আক্বিদা, বদ মাযহাবী, বাতিল ফিরক্বার অন্তভ’ক্ত তাদের লক্ষ-কোটি দলিল দিলেও তারা মানবেনা। কেননা তাদের অন্তরে সিল মোহর পড়ে গেছে। তারা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে বেয়াদবী করতে করতে যুব্বুল হুযূনে চলে যাবে তবু নবী পাক-এর শানে আদব, মুহব্বত তারা প্রদর্শন করবেনা।

আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে ঐসব বদ আক্বিদা, বদ মাযহাবী, ওহাবী, খারিজি, দেওবন্দী, তাবলীগী, কাদিয়ানী তথা বাতিল বাহাত্তর ফিরক্বার লোকদের ওয়াস ওয়াসা থেকে হেফাযত করুন। আর নাযিয়াহ্(নাযাত প্রাপ্তদের) তথা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত এর আক্বিদা পোষণ করার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন। (আমীন)

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

১৯টি মন্তব্য

  1. শিক্ষামূলক পোষ্ট , ভাল লাগলো

  2. প্রভাতের সূর্যপ্রভাতের সূর্য says:

    সুন্দর পোস্ট । Clover Star Sun Moon

  3. অব্শ্যই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-তিনি সর্বত্র হাযির-নাযির।

  4. mamun says:

    িখ্রস্টানেদর িযশুু ও হার মানেত বাধ্য়

  5. mamun says:

    এই লোক কোরআনের মনগড়া তাফিসর করে লোকদেরকে িশরকে িলপ্ত করছে / এদের
    থেকে সাবধান /

    • @mamun, “যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক তবে দলিল পেশ কর” (আল কুর্আন)
      আপনার মন্তব্য ততক্ষণপর্যন্ত গ্রহণযোগ্য হবেনা যতক্ষণনা এর দলিল পেশ করতে না পারবেন। দলিল দিতে না পারলে আপনি বাচাল বলে বিবেচিত হবেন।

  6. mamun@ ভাইয়া, বলেনতো শিরক কাকে বলে?

  7. dr.faisal says:

    মুমিনের জন্য একটি দলিলই যথেষ্ট। আর যারা বদ আক্বিদা,বদ মাযহাবী, বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত তাদের লক্ষ-কোটি দলিল দিলেও তারা মানবেনা। কেননা তাদের অন্তরে সিল মোহর পড়ে গেছে। পোস্ট এর জন্য শুক Heart Heart রিয়া

  8. অসাধারণ, আরো শক্ত করে কাফেরদের দাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে। কাফেররা নুরে মুজাস্সাম হাবিবুল্লাহ হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মান নিয়ে এলোমেলো কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। আর এ কারেণই তো তারা কাফির। আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন আমাদেরকে হক্ব আক্বিদার উপর দােয়ম করে দিন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে