নেককার ব্যক্তিগণের সংস্পর্শে থাকলে কী হবে? একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ


একটি ইটের ভাটায় কোটি কোটি ইট বানানো ও পোঁড়ানো হয়। এর মধ্যের কোন ইটকে দলানে লাগানো হয়, কোনটি মসজিদে, মাদ্রাসায়, রাস্তা-ঘাটে, অফিস-আদালতে, কোনটি পায়খানায় লাগানো হয়। এখানে কোন ইটকে কোথায় লাগানো হবে তা মালিকের খুশি। এতে ইটের কিছুই বলার থাকে না। তবে মসজিদে যেই ইটটা লেগে যায় মসজিদের বরকতে ঐ ইটটিও দামী হয়ে যায়।

একইভাবে আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালাও আমাদেরকে একই সঙ্গে সৃষ্টি করেছেন। এখন তিনি কোন জায়গায় কাকে ব্যাবহার করবেন এটা তারই মর্জি। এতে আমাদের অভিযোগ করার কোন সুযোগ নেই।

তবে সোহবত (সংস্পর্শ) এমন একটি জিনিস যার বরকতে অনেক মূল্যহীন বস্তুও মূল্যবান হয়ে যায়। যেমন ঐ মসজিদে ব্যাবহৃত ইটটি। আবার কাপড় কম দামী জিনিস, তবে কাবা শরীফে লাগালে বহু দামী, কুরআনের কভার বানালে অনেক দামী। মানুষ যত্ন করে, চুমু খায়, সম্মান করে। তাই নেকলোকের সংস্পর্শে থাকা, ভালো বন্ধু, সাথী করা।
আর মহান আল্লাহর কাছে দুয়া করতে থাকা। “হে আল্লাহ্ ঐ মসজিদে যেই ইটটি ব্যাবহৃত হচ্ছে, ঐ ইটটির মতো আমাকেও আপনার দ্বীনের সাথে লাগিয়ে রাখুন, ব্যাবহার করুন।” তাই, দুয়া এমন জিনিস যার বরকতে আল্লাহ্ আমাদের তাক্বদীরকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন।
তাই বুখারী শরীফের হাদীসে রয়েছে যে, “আদ্দুআউ মগলুল ঈবাদ” (দুয়াই ইবাদাতের মগজস্বরুপ।)…

কৃতজ্ঞতায়: @l F@him

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে