নেককার স্ত্রীই তার স্বামীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ


নারীদেরকে পু্রুষের অধীনস্থ করা হয়েছে আবার নারীদেরকে আলাদাভাবে শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারীও করা হয়েছে। যা কিছু শ্রেষ্ঠ হয়েছে তা তার বিশেষ গুণের জন্যই –তাই সকল নারীই শ্রেষ্ঠ হবে না,শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হতে হলে তাকে কিছু গুণাবলী অর্জন করতে হবে । নেককার স্ত্রীর যে মর্যাদা তা কি কোনো বদ মহিলার মর্যাদার সমান হতে পারে!?! নিশ্চয়ই নয় । একজন নেককার স্ত্রী তার স্বামীকে বাদশাহ বানিয়ে রাখে , সুবহানাল্লাহ্ ।
নেককার স্ত্রীকে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ বলা হয়,এখন বদকার কোনো মহিলাকে কি সম্পদ বলা যেতে পারে??
কাজেই শ্রেষ্ঠ সম্পদ হতে হলে সেরূপ বৈশিষ্ট্যও তো থাকা চাই। ঈমানের পর সর্বোচ্চ নিয়ামত হচ্ছে সচ্চরিত্র স্বামীকে মুহব্বতকারিনী,চ
রিত্রবতী ও সন্তানবতী স্ত্রী সুবহানাল্লাহ্ ।এরূপ মহিয়সী নারীকে হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনার রাজত্ব অপেক্ষা উত্তম বলা হয়েছে।
আর কুফরীর পর সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট বস্তু হচ্ছে কর্কশভাষীনী ও অসচ্চরিত্রা স্ত্রী ।নাঊযুবিল্লাহ্ !
কাজেই প্রত্যেক স্ত্রীরই স্বামীকে মুহব্বত করতঃ সচ্চরিত্রের অধিকারী হওয়ার চেষ্টা করতে হবে,তবেই সে তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে পরিগণিত হবে ।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে