নৌদস্যুর জাত ব্রিটিশ বেনিয়াদের পাচাটা গোলাম অভিশপ্ত ইবনে ওহাব নজদীর নিকৃষ্ট চেহারা


পবিত্র কা’বা শরীফ উনার পূর্ব দিকের একটি মরুময় ঘৃণিত অঞ্চলকে নজদ বলে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসীরা মহান আল্লাহ পাক উনার গযবপ্রাপ্ত এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অভিশপ্ত। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নজদকে আরবের অন্যান্য দেশ হতে পৃথক করে ঘৃণিত অঞ্চল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যেমন তিনি পবিত্র খানায়ে কা’বা উনার সঙ্গে সম্পর্ক করে বলেন, রুকনে ইয়ামনী, রুকনে শামী ও রুকনে ইরাকী। কিন্তু এখানে রুকনে নজদী বলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার দিক চিহ্নিত করেননি। কারণ নজদীরা প্রকৃতপক্ষে পবিত্র কা’বা শরীফ পন্থী ছিল না।
আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইসলাম প্রচারকালে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার চতুর্দিকে কাফিররা ইসলামী আদর্শে মুগ্ধ হয়ে দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে দীক্ষিত হন। আর পবিত্র মক্কা শরীফ হতে দূর দূরান্তে অবস্থারত অধিবাসীরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চরিত্র মুবারক ও আদর্শ মুবারক-এ মুগ্ধ হয়ে পবিত্র কালাম পাক উনার মহাবাণীতে উদ্ধুদ্ধ হয়ে তারা ওফদ নাম ধারন করত পবিত্র মক্কা শরীফ অভিমুখে রওয়ানা হন।
সে সময় উনাদের কারো কারো মুখে উচ্চারিত হচ্ছিল “ইয়া নবী আল্লাহ” আর কারো মুখে উচ্চারিত হতো আযানের বাক্যাবলীর “আল্লাহু আকবার”। উনারা দূর-দূরান্ত হতে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার আঙ্গিনাতে ঊপস্থিত হয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাত মুবারক-এ বাইয়াত গ্রহণ করত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হয়েছেন। এমনকি “নসীবাইনের” জিন জাতি পর্যন্ত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাত মুবারক-এ বাইয়াত গ্রহণ করেন। কিন্তু কম বখত কোন নজদী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেনি। বরং নজদীরা ঈমান লাভের পরিবর্তে ঈমানদারগণ উনাদেরকে নির্মমভাবে শহীদ করতো। এ কথার জ্বলন্ত প্রমাণ নজদের বীরে মাঊনাতে ৭০ জন ঈমানদার মুবাল্লিগ হাফিযে কুরআন হযরত ছাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শহীদ করা ও “রজি” এর ঘটনাতে হযরত খুবাইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে শুলে ঝুলিয়ে শহীদ করা। এ দুটি ঘটনার বিস্তারিত আলোচনা বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে।
প্রকত পক্ষে নজদীরা ছিল জন্মগত নাফরমান নাস্তিক ও কাফির। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নজদ ও নজদীদের সম্পর্কে কি কি অভিমত পোষণ করেন সে ব্যাপারে ছহীহ সনদ সূত্রে কয়েকটি পবিত্র হাদীছ শরীফ নিম্নে বর্ণিত হলো-
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন যে, আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মূল কাফির বা প্রধান কাফির পূর্ব দিকে। সেখান থেকেই শয়তানের শিং বের হবে। অর্থাৎ পবিত্র মক্কা শরীফ উনার পূর্ব দিকে আরব ভূখন্ডের অন্তর্ভুক্ত ঘৃণিত প্রদেশ নজদ অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বর্ণনা অনুযায়ী সেখানেই কাফিরদের মূল ঘাটি অবস্থিত। অথবা ওই এলাকাতে যারা বসবাস করেছে তারাই প্রকৃত কাফির। কারণ, সেখানকারই তথাকথিত শেখ নজদী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ঘুমন্ত অবস্থায় শহীদ করার জন্য আবু জাহিলকে কুপরামর্শ দিয়েছিল। তাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখনই পূর্বমূখী হতেন, তখনই তিনি পূর্ব দিককে অভিশপ্ত আখ্যায়িত করে বদ দুয়া করতেন।
আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ হাদীছ শরীফখানা উনার দ্বিতীয় অংশে ইরশাদ মুবারক করেন, এই নজদ হতে শয়তানের ধারাল শিংয়ের আবির্ভাব হবে। দ্বিতীয় বাক্যটির মধ্যে করনুশ শয়তান বা শয়তানের প্রথম শিং মিথ্যা নুবুওওয়াতের দাবীদার মুসায়লামাতুল কাজ্জাবকে এবং দ্বিতীয় শিং দ্বারা ইবনে আব্দুল ওহাব নজদীকে বুঝানো হয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভবিষ্যদ্বানীটি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তব রূপ ধারণ করেছে। প্রথম শিংকে দমন করা হয় হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত কালে। আধুনিক কালের শয়তানের শিং ওহাবীরা ১২১৫ হিজরীতে সাউদ বিন আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে কারবালার পবিত্র ভূমি হতে ইমামুছ ছালিছ মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মাযার শরীফ ভেঙ্গে দেয়। ১২১৭ হিজরীতে পবিত্র মক্কা শরীফ আক্রমণ করে পবিত্র কাবা শরীফ উনার গিলাফ ছিড়ে ফেলে। হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাযার শরীফসমূহ ভেঙ্গে ফেলে। ১২১৮ হিজীতে পবিত্র মদীনা শরীফ আক্রমণ করে। এই পবিত্র স্থানটি ১২২৭ হিজরী পর্যন্ত ওহাবীদের দখলে ছিল। তাদের অধীনে থাকা অবস্থায় তারা জান্নাতুল বাক্বী উনার সকল মাযার শরীফসমূহ ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিল। এমনকি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ উনার উপরও ঘৃণিত কালো থাবা বিস্তার করেছিল। ওহাবীরা যে কুফরী কর্মে লিপ্ত হয়েছিল তা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ঘোষিত কাফিরগণও এরূপ অপকর্মে লিপ্ত হয়নি।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করে বলেন, একদা আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পূর্বমূখী হয়ে অর্থাৎ নজদের দিকে ফিরে বলেন, এ দিক হতে ফিৎনা ফ্যাসাদ আবির্ভূত হবে।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পূর্ব দিকের কথা উল্লেখ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নজদকেই বুঝিয়েছেন। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মূল কুফর পূর্ব দিকে এবং গর্ব ও অহংকার রাখালদের মধ্যে। অন্য আর এক বর্ণনাতে রয়েছে যে, কঠিন অন্তর ও যুলুম-অত্যাচার পূর্ব দিকের লোকদের মধ্য থেকে আবির্ভূত হবে। আর ‘ঈমান’ হিজাজ উনার বাসিন্দা উনাদের মধ্যে থাকবে।
উপরোক্ত হাদীছ শরীফদ্বয় উনাদের দ্বারা নজদ ও নজদীদের প্রকৃত স্বরূপ বুঝানো হয়েছে। কারণ গর্ব ও অহংকার এবং যুলুম ও অত্যাচার তাদের দ্বারা যেমন প্রকাশ পেয়েছে এরূপ আর কোন এলাকার লোকদের দ্বারা তা প্রকাশিত হয়নি।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পূর্ব দিক হতে (অর্থাৎ নজদ হতে) একদল লোক বের হবে, তারা ঠিকই পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠ করবে, কিন্তু পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মর্মার্থ তাদের কণ্ঠনালীর নিচে নামবে না। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অর্থ বুঝবে না। তারা দ্বীন ইসলাম হতে এমনিভাবে দূরে সরে পড়বে যেমন তীর ধনুক হতে ছুড়লে আবার ফিরে আসে না। এসব লোকের সাধারণ লক্ষণ হল তাদের মাথা মুড়ানো থাকবে। ঠিক এই লক্ষণটি পরিলক্ষিত হয়েছে নজদবাসী ইবনে ওহাব নজদী ও তার অনুসারীদের মাঝে।
স্মর্তব্য, আমাদের এদেশেও তথাকথিত একদল মুবাল্লিগ জনসাধারণের মধ্যে খ্যাতি অর্জনের জন্য মাথা মুড়ায়ে ফেলে। তারা দাবী করে যে, তারাই প্রকৃত ইসলাম উনার অনুসারী। প্রকৃতপক্ষে তারা হল ইসলাম উনার চরম শত্রু। মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার প্রিয়তম রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরম শত্রু। তাই তাদের থেকে দূরে থাকা প্রত্যেক ঈমানদারের একান্ত কর্তব্য।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,”একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরবের শাম, ইয়ামন ইত্যাদি দেশের জন্য দুয়া করার পর পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাপ তোলার যন্ত্রাদির জন্য দুয়ায় বরকত করেন। অতঃপর তিনি পূর্বমুখী হয়ে নজদের ব্যাপারে বলেন এ দিক হতে শয়তানের শিং উদয় হবে” (বুখারী শরীফ)
অর্থাৎ শরীয়ত গর্হিত কার্য-কলাপ এবং মুসলমান উনাদের মধ্যে বিভেদকারী ফেৎনা ফাসাদ সৃষ্টি ও ভূমিকম্প শুরু হবে।
উপরোক্ত হাদীছ শরীফ দ্বারা নজদের অধিবাসী ইবনে ওহাব নজদীর ওহাবী মতবাদের কথাই ইঙ্গিত করা হয়েছে। কারণ তারা সংস্কারের নামে দ্বীন ইসলাম উনার মুলোৎপাটনের চেষ্টা করছে।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,”হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শাম ও ইয়ামনের বরকতের জন্য দুয়া করলেন তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ আরয করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাদের নজদ সম্পর্কে দুয়া করুন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আবারো শাম ও ইয়ামনের জন্য দুয়া করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা মতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তৃতীয়বারে বললেন, ওই নজদ হতেই ভূ-কম্পন এবং বিভিন্ন ফিৎনা ফাসাদ সৃষ্টি হবে এবং তথা হতেই শয়তানের শিং প্রকাশ পাবে।” (বুখারী শরীফ)
অর্থাৎ সর্বপ্রকার শয়তানী অভিমত প্রকাশ পাবে। যা ইবনে ওহাব নজদী কর্তৃক প্রকাশ লাভ করেছে।

মূলত আব্দুল ওহাব নজদী ছিল চরম শ্রেণীর এক কাফির। তার প্রমাণ নিম্নরূপ :
ক) সে তার কিতাবুত তাওহীদ-এ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা মুবারক সম্পর্কে কটুক্তি করে লিখেছে,

“ইহাই সর্ব বৃহৎ মূর্তি।” নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক!
খ) সে তার কাশফুশ শোবুহাত-এ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কটুক্তি করে লিখেছে,

“আমার হাতের লাঠি মৃত মুহম্মদ থেকে উত্তম।” নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক!

সুতরাং তার দুটি কথা থেকেই বুঝা যায় যে, সে কত বড় ধরনের কাফির।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে