পবিত্র আশুরার শিক্ষা: কাফির-মুশরিকদের খিলাফ করতে হবে


সামনেই পবিত্র আশুরা (১০ মহররম শরীফ)। ঐ দিন পরিবারের লোকদের নিয়ে ভাল খাবারের আয়োজন করলে সারা বছর রিযিকে বরকত হয়। সুবহানাল্লাহ! মানুষ মনে করে থাকে বছরের প্রথম দিন ভাল খাবারের ব্যবস্থা করলে সারা বছর ভাল খাওয়া যাবে। নাউজুবিল্লাহ! এটা একটা কুফরী আক্বীদা। যেদিন ভাল খাবারের আয়োজন করলে বছর জুড়ে রিযিকের বরকত লাভ হবে, সে দিনটি হচ্ছে পবিত্র আশুরার দিন। সুবহানাল্লাহ! আরো অনেক নিয়ামত রয়েছে আশুরার মধ্যে।
আশুরা সম্মানার্থে রোজা রাখার ফযিলতও অনেক!! কিন্তু আশুরা উপলক্ষে ২টা রোজা রাখতে হয়। আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজী সাইয়্যেদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিনি হায়াতুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি হাজির-নাযির ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি মুত্তা¡লা আলাল গইব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আশুরা উপলক্ষে ২টা রোজা রাখতে আদেশ মুবারক করেছেন। কারন ইহুদীরাও আশুরার দিন রোজা রেখে থাকে। ইহুদীরা ১টা রোজা রাখে। মুসলমানগন সেজন্য ২টা রোজা রাখবেন যাতে আমলের দিক থেকে ইহুদীদের সাথে মুশাবাহ (মিল) না হয়ে যায়।
মুসলমানদের জন্য অনেক ফিকিরের সুযোগ রয়েছে বিষয়টার মধ্যে। নেক আমল করা হবে কিন্তু সেই নেক আমল করতে গিয়েও যেন কাফির-মুশরিক, ইহুদী-খৃষ্টানদের সাথে মিল না হয়ে যায় সেদিকটা খেয়াল রাখতে হবে। সুবহানাল্লাহ।
তাহলে যারা তন্ত্র-মন্ত্র-গনতন্ত্র করে, বেপর্দা হয়, বেগানা মহিলাদের সাথে দেখা-সাক্ষাত করে, দাড়ি ছাঁচে, টাই টি-শার্ট পড়ে, অর্ধ-নগ্ন শর্ট কামিছ পড়ে; চুলে-দাড়িতে কলপ দেয়, পোশাক-পরিচ্ছদ, আমল-আচরন, ছিরত-ছুরত দৈনন্দিন জীবনের সব কাজগুলো কাফিরদের সাথে মিল রেখেই করে তাদের জন্য কি হুকুম?? তাদের জন্য জাহান্নাম। হাদীস শরীফে ®পষ্ট করেই উল্লেখ করা হয়েছে, “যে ব্যক্তি যার সাথে মিল রাখবে, ঐ ব্যক্তির হাশর-নশর তার সাথেই হবে”। অর্থাৎ কাফির-মুশরেকদের জীবনাচরনের কোন কিছুর সাথেই যেন মুসলমানদের মিল না হয়ে যায় সেদিকে কঠোর সতর্ক থাকতে হবে। অন্যথায় কাফির-মুশরেকদের সাথে তাকেও জাহান্নামী হতে হবে। নাউজুবিল্লাহ।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে