পবিত্র ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শ প্রতিফলনে পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ হোক আমাদের চেতনা


পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনারই ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ রাতটি হচ্ছেন পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার মুবারক রাত। এ মুবারক রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের একাদশ বৎসরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র মি’রাজ শরীফ হাদিয়া মুবারক করেন। হাক্বীক্বত যদিও মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টিকাল থেকেই সবসময় মহান আল্লাহ পাক উনার বরকতময় দীদার মুবারক-এ ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল ধরে থাকবেন। সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু চরম পরিতাপের বিষয়! মুসলিম উম্মাহ আজ এ বরকতময় রজনীকে ভুলতে বসেছে অর্থাৎ রহমত, বরকত ও মাগফিরাত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মুসলমানদের চরম শত্রু ইহুদী-খ্রিস্টানরা চায় না- মুসলমানরা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রিয় পাত্র হোক এবং রহমত বরকত হাছিল করুক। নাউযুবিল্লাহ!
তাই ইহুদী-খ্রিস্টানদের লোকাল এজেন্ট দেওবন্দী, কওমী, খারিজী, জামাতী, মওদুদী, ওহাবী, লা-মাযহাবী, তাবলীগীদের মাধ্যমে এই মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ রজনী সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে মুসলমান উনাদের এই মুবারক দিনটি পালনে বাধা সৃষ্টি করছে। যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান, মান, মর্যাদা বুঝে নাÑ সেই উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যাবসায়ীরা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতময় রজনী সম্পর্কে কি বুঝবে?
কাজেই মুসলিম সরকারের নিকট আমাদের দাবি- পবিত্র ইসলামী চেতনা ও আদর্শ প্রতিফলনে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার মুবারক দিনে বাধ্যতামূলক সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা হোক এবং যথাযথ পবিত্র দ্বীনি উদ্দীপনায় এই মহান রজনী সরকারিভাবে পালন করা হোক। কারণ এই বরকতময় রজনী বা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে বাধ্যতামূলক সরকারি ছুটি ঘোষণা করে সরকারও মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করতে পারবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে