পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশু কুরবানী মূলত সন্তানের বিনিময়ে নিছক গোশত খাওয়া কিংবা লোক প্রদর্শনী নয়?


সেই দিন যদি খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার খলীল হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম উনার প্রাণপ্রিয় আওলাদ, যবীহুল্লাহ হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনি ছুরির নিচে জবেহ হয়ে যেতেন, তাহলে সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রাণ প্রতীম সন্তানকেও কুরবানী করতে হতো। খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দার প্রতি প্রিয় করুণা ও ইহসানে ধন্য করে সেই সন্তানের পরিবর্তে হালাল পশু কুরবানী করার বিধান করেছেন।
কাজেই এ কুরবানী ও কুরবানীর পশুর প্রতি কতো যে মুহব্বত, বিশুদ্ধ নিয়তি ও আত্মত্যাগী হতে হবে তা গভীরভাবে চিন্তা-ফিকির না করলে বুঝা সম্ভব হবে না। এ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশু কুরবানী নিছক গোশত খাওয়া কিংবা লৌকিকতা কিংবা বাহবা পাওয়ার প্রদর্শনী নয়, মূলত এটা সন্তানের বিনিময়ে কুরবানী। খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বিশুদ্ধ নিয়তকে কবুল করুন। আমীন।
Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে