পবিত্র কুরবানিকে অস্বীকার করা যেমন কুফরি, ইহানত করাও তেমনি কুফরি


তথাকথিত তারকারা বলেছে, “কুরবানী না দিয়ে টাকাটা বন্যার্তদের দান করতে”। নাউযুবিল্লাহ। তাদের উপর কি অহী নাযিল হয়, যে তারা মহান আল্লাহ পাক যে ইবাদতকে ওয়াজিব করেছেন সেটা বদলে অন্য ইবাদত করতে বলে??? যারা এখন কুরবানীর বিরোধিতা করে কথিত মানবতাবাদী সাজছে তারা কি হিন্দুদের বলতে পারবে তাদের আসন্ন দূর্গাপূজা বাদ দিয়ে টাকাটা বন্যার্তদের দিতে???
 
আর এক কথিত মাওলানা বলেছে, “কোরবানির ওয়াজিব বিধানটি সবাই সর্বনিম্ন যত টাকায় সম্ভব আদায় করবেন এবং বাকি টাকা বন্যাগ্রস্ত মানুষকে দান করে দেবেন।” নাউযুবিল্লাহ! তার এই কথার দলীল কি? তার কথা তো সেই কাবিলের কথার মত শোনাচ্ছে, যে শুধুমাত্র কুরবানীর আদেশ পালন করার জন্য যেনতেন শস্য কুরবানি দিয়েছিল। তার কুরবানি কিন্তু কবুল হয়নি। হয়েছে হযরত হাবিল আলাইহিস সালাম উনার পশুপালের হৃষ্টপুষ্ট সর্বোত্তম দুম্বা যা তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাক্বীকি সন্তুষ্ট করার জন্য কুরবানি দিয়েছিলেন।
 
কুরবানি দিতে হবে যার যার সামর্থ অনুযায়ী সর্বোত্তম পশু। অন্যথায় তা কবুল হবে না। পবিত্র কুরবানিকে অস্বীকার করা যেমন কুফরি, অপমান করাও তেমন কুফরি। আর খায়ের বরকত রহমত এগুলো গায়ের জোরে পাওয়া যায়না। এগুলো মহান আল্লাহ পাক উনার নেয়ামত। এখন মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক অস্বীকার করে, ইহানত করে, রহমত পাওয়া যাবে কি???
Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে