পবিত্র কুরবানীর পশুর খামার করুন; সাপ, কুমির, কচ্ছপের খামার নয়


আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ও সবচাইতে বেশি লাভবান হলো গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদির লালন-পালন। যুগযুগ ধরে আমাদের দেশের মানুষও এসব প্রাণী লালন-পালনে অভ্যস্ত ও অভিজ্ঞ। আমাদের দেশের অর্থনীতিতেও এসব প্রাণী থেকে প্রাপ্ত দুধ, গোশত, চামড়া, পশম ইত্যাদির অবদান অনেক বেশি। সর্বোপরি দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের অন্যতম ইবাদত পবিত্র কুরবানীতে বিপুল পরিমাণ গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদির প্রয়োজন হয়ে থাকে।
অথচ আমাদের দেশের সরকারের জন্য আফসুস! তারা আমাদের দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি এসব প্রাণী পালনে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না করে, অপ্রচিলত ও কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েই সহযোগিতা করে থাকে। লেখার শুরুর সংবাদটি এর একটি নমুনা মাত্র। সরকারের এ ধরনের ভুল ও অপরিপক্ক সিদ্ধান্তের কারণেই গোশত, দুধ ইত্যাদির মূল্য হু হু করে বেড়ে চলছে। যে কারণে মানুষ তার চাহিদা মতো গোশত ও দুধ খেতে পারছে না। এসকল প্রাণীর দাম কম থাকলে দেখা যেতো অনেক নিম্নবিত্ত লোকও কুরবানীতে অংশগ্রহণ করতে পারছেন।
অথচ ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময় কুমির, কাঁকড়া, ঝিনুক, সাপ ও কচ্ছপ খামারগুলো উন্নয়নে মিটিং-ফিটিং করে থাকে। তারা অপ্রচলিত খামার (কুমির, কাঁকড়া, ঝিনুক, সাপ, কচ্ছপ) উন্নয়নে বাজেট-বরাদ্দ করে থাকে।
স্মরনীয় কুমির, কাঁকড়া, ঝিনুক, সাপ ও কচ্ছপ ইত্যাদি প্রাণী পালনে উৎসাহিত না করে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদির মতো নিরীহ ও উপকারী প্রাণী পালনে সহযোগিতা করলে দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানও উপকৃত হবে, তেমনি সরকারও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক লাভবান হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে