পবিত্র কুরবানীর পশু এবং কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজকে সম্মান করতে হবে


পবিত্র কুরবানীর পশু হলো মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্রতম নিদর্শন। যেহেতু পশু কুরবানীর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল কারা যাবে। সেহেতু উক্ত পশু ও করবানী করার সংশ্লিষ্ট কাজগুলিও নিদর্শন মুবারকের অন্তর্ভূক্ত। এ প্রসঙ্গে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُحِلُّواْ شَعَآئِرَ اللّهِ وَلاَ الشَّهْرَ الْحَرَامَ وَلاَ الْهَدْيَ وَلاَ الْقَلآئِدَ وَلا آمِّينَ الْبَيْتَ الْحَرَامَ يَبْتَغُونَ فَضْلاً مِّن رَّبِّهِمْ وَرِضْوَانًا
অর্থ: হে সম্মানিত মু’মিনগণ! আপনারা অসম্মান করবেন না, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহ এবং সম্মানিত মাসসমূহকে এবং হারাম শরীফে পবিত্র কুরবানীর জন্যে নির্দিষ্ট পশুকে এবং ঐসব পশুকে, যাদের গলায় কন্ঠাভরণ রয়েছে এবং ঐসব লোককে যারা সম্মানিত কা’বা শরীফ অভিমুখে যাচ্ছেন, যারা স্বীয় রব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারক ও সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ; পবিত্র আয়াত শরীফ ০২)
সুতরাং উক্ত পবিত্রতম আয়াত শরীফ দ্বারা প্রতিয়মান হয় যে, পবিত্র কুরবানীর পশু যেমন মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্রতম নিদর্শন। ঠিক তেমনি কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজগুলোও মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নিদর্শন মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই পবিত্র কুরবানীর পশু কুরবানী করার পাশাপাশি পবিত্র কুরবানীর সংশ্লিষ্ট কাজগুলো যথাযথ সম্মানের সহিত করতে হবে।
তাহলেই মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা সহজ ও সম্ভব হবে। সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে