পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র!


-কুরবানীর পশুর হাটকে শহরের বাইরে নেয়া হচ্ছে।
-কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমানো হচ্ছে।
-সুবিধাজনক স্থানে পশু জবাই না করে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট স্থানে জবাই করার নির্দেশ।
-১৮ বছরের নিচের কাউকে কুরবানীর পশু জবাই নিষিদ্ধ করার নির্দেশ।
…এভাবেই একের পর এক কুরবানীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রমের কোনো একটিও কি কুরবানীর পক্ষে যায়? না, যায় না। প্রতিটি পদক্ষেপই কুরবানীকে সীমিত করে সীমাবদ্ধ করার কার্যক্রমের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ। কুরবানীর সময় আসলে দেশজুড়ে কুরবানীর পশুর হাটে যাওয়া, পশু কেনা, জবাই করা, গোশত বিলি বণ্টন করাকে এদেশের মুসলমানগণ যেভাবে মহাসমারোহে পালন করে, এগুলো কি সে আনন্দকে মিটিয়ে দেয়ার পদক্ষেপ নয়? অবশ্যই।
মূলত, মুসলমানদের এই আনন্দের সাথে কুরবানী করা দেখে যাদের অন্তরে জালজালা তৈরি হয়, যাদের মধ্যে হিংসার আগুন জ্বলে তারাই যে কুরবানীর বিরুদ্ধে এসব চক্রান্তে কলকাঠি নাড়ছে সেটা এদেশের প্রশাসন না বুঝার ভান করলেও দেশের মুসলমানগণ ঠিকই উপলব্ধি করতে পারছেন।
তাই কুরবানীর বিরুদ্ধে প্রশাসন বা সরকারের নেয়া এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এখনই দেশের মুসলমানদের প্রতিবাদী হতে হবে। নচেৎ কুরবানী নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যে সমস্ত কার্যক্রমের কথা বলা হচ্ছে- এগুলোই এক সময় এদেশে কুরবানী নিষিদ্ধ করার পথকে সহজ করে দিবে। আর এর জন্য অবশ্যই এদেশের সরকার বা প্রশাসনের সাথে সাথে মুখ বুঝে থাকা মুসলমানদেরকেও কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে