সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

পবিত্র কুরবানীর সময় বেশি দিন ছুটি প্রদান অর্থনৈতিকভাবেও লাভজনক


আমাদের দেশে একটি রীতি একরকম প্রচলিত হয়ে গেছে যে, পবিত্র কুরবানীর সময় তিন দিন ছুটি দেয়া হয়। সম্ভবত ব্রিটিশ বেনিয়ারা এটা জারি করেছিল কিন্তু অদ্যাবধি তার কোনো সংস্কার করা হয়নি। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের দেশে এটার সংস্কার করার দরকার ছিল। কারণ, পবিত্র যিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত বরকতময়। এই দশদিনের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখা সুন্নত এবং দশম দিনে পবিত্র কুরবানীর গোশ্ত দিয়ে আহার শুরু করাও সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।
শুধু তাই নয়, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের প্রথম ১০ রাত পবিত্র শবে ক্বদরের রাতের মতো ফযীলতপূর্ণ। আমাদের পুর্বপুরুষদের মধ্যে এরকমই প্রচলিত ছিল- প্রথম ৯ দিন রোযা রাখতেন, দশম দিনে পবিত্র কুরবানীর গোশত দিয়ে খাবার শুরু করতেন।
তাই শতকরা ৯৮ ভাগ লোক মুসলমানদের দেশে যদি মাত্র তিন দিনের পরিবর্তে ১৫ দিন ছুটি দেয়া হয়, তাহলে মুসলমানগণ এই দিনগুলোতে ইবাদত-বন্দেগী করে বরকত, রহমত, সাকীনা, দয়া, দান, ইহসান লাভ করতে পারবেন। অন্যদিকে বেশি দিন ছুটি পেলে অনেকেই শহর থেকে গ্রামে গিয়ে পবিত্র কুরবানী দিতে পারবে। ফলশ্রুতিতে শহরের যানজট কমে যাবে, গ্রামের প্রান্তিক চাষীরা কুরবানীর পশুর ভালো দাম পাবেন। অধিক হারে কুরবানীর পশুর শহরে আনা-নেয়ার যে ঝক্কি-ঝামেলা, সেটাও কমে যাবে। আবার অধিক হারে শহরের মানুষ গ্রামে চলে গেলে গ্রামের অর্থনীতি কিছুদিনের জন্য হলেও বেশ সচল হবে।
তাহলে দেখা যায়, পবিত্র কুরবানীর সময় একসাথে অনেক দিন ছুটি দেয়া সবদিক থেকেই অত্যন্ত লাভজনক। অর্থাৎ কমপক্ষে ১৫ দিন ছুটি দেয়া কর্তব্য।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে