পবিত্র কুরবানী নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী মহলের চক্রান্ত অব্যাহত


পবিত্র কুরবানী নিয়ে এদেশে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল প্রতি বছরই নানা ধরনের চক্রান্ত করে যাচ্ছে। যেমন বিগত বছরগুলোতে যেসব ষড়যন্ত্র করেছিলো তার কিছু নমুনা এখানে তুলে ধরা হলো-
২০০৭ সালে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়- ‘কুরবানী না করে এই টাকা সিডরে দুর্গতদের দান করুন’। নাউযুবিল্লাহ!
২০১২ সালের পবিত্র কুরবানী ঈদের আগে গরু কুরবানীতে ভীতি ছড়ানোর চক্রান্তের নাম ছিল ‘অ্যানথ্রাক্স’।
২০১৩ সালে কুরবানীতে বাধা সৃষ্টির কূটকৌশল ছিল- ‘ঈদের তিন দিন আগে কোনো পশুর গাড়ি ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে না’ -এমন আদেশ সম্বলিত সরকারি নোটিশ। নাউযুবিল্লাহ!
২০১৪ সালের চক্রান্ত ছিলো আরো জটিল। মুসলমানদের কুরবানী নষ্ট করতে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়, ‘ক্ষতিকর ওষুধ সেবনের মাধ্যমে মোটাতাজা করা গরু কুরবানীর হাটে তোলা হলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঈদুল আযহায় প্রতিটি গরুর হাটে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে গরুর রক্ত পরীক্ষা করা হবে। যদি কোনো গরুর রক্তে বিষাক্ত কিছু ধরা পড়ে, তাহলে সেই গরুরকে সিল করে গরু বিক্রেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।” নাউযুবিল্লাহ!
২০১৫ সালে মুসলমান উনাদের কুরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ‘ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কুরবানীর পশুর হাট দূরবর্তী স্থানে স্থানান্তর করা এবং হাটের সংখ্যা কমিয়ে দেয়া।’ নাউযুবিল্লাহ!
২০১৬ সালে জবাইর জন্য স্থান নির্ধারন করে দেয়া এবং ১৮ বছরের নিচে কেউ জবাই করতে পারবে না বলে ঘোষণা দেয়া।
এবার ২০১৭ সালে নতুন কোনো ষড়যন্ত্র তারা করছে এবং করবে তা দেখার বিষয় তবে ষড়যন্ত্রকারীরা যে ষড়যন্ত্রই করুক না কেন তা অবশ্যই প্রতিহত করতে হবে। এবং পবিত্র কুরবানী নিয়ে চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের সতর্ক থাকতে হবে। আর মুসলমান উনাদের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে মুসলমান উনাদের ঈমান-আমল হিফাযতের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে