পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয়ে অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার সাথে কথা বলতে হবে


পবিত্র সূরা মুদ্দাছ্ছির শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَا سَلَكَكُمْ فِي سَقَرَ . قَالُوا لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّينَ . وَلَمْ نَكُ نُطْعِمُ الْمِسْكِينَ . وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ الْخَائِضِينَ . وَكُنَّا نُكَذِّبُ بِيَوْمِ الدِّينِ . حَتَّىٰ أَتَانَا الْيَقِينُ .
অর্থ: “জাহান্নামীদের জিজ্ঞেস করা হবে, ‘কেন তোমরা জাহান্নামে গেলে?’ তারা বলবে, ‘আমরা নামায পড়িনি, গরিব-মিসকিনকে খাদ্য খাওয়াইনি। আর যারা পবিত্র কুরআন শরীফ-পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ বা সমালোচনা করেছে- আমরাও তাদের সাথে অনুরূপ করেছি এবং পরকাল অস্বীকার করেছি মৃত্যু আসা পর্যন্ত।” (পবিত্র সূরা আল মুদ্দাছ্ছির ৪২: পবিত্র আয়াত শরীফ ৭৪)
এখানে তৃতীয় যে কারণটি উল্লেখ করা হয়েছে তা হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ-পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ বা সমালোচনাকারীদের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ বা সমালোচনা করা। তাফসীর অনুযায়ী পবিত্র কুরআন শরীফ-পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রƒপ বা সমালোচনা করার এক অর্থ হলো পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফে যা কিছু নির্দেশনা বা নিদর্শন রয়েছে তার সমালোচনা করা বা অবমাননা করা। নাউযুবিল্লাহ!
* কাফিররা বলে কুরবানী করলে রাস্তা নোংরা হয়- এটা সমালোচনা।
– আর সরকারি সিদ্ধান্ত- যেখানে- সেখানে কুরবানী করা যাবে না।
* কাফিররা বলে কুরবানীর হাটের জন্য যানজট সৃষ্টি হয়- এটা সমালোচনা।
-আর সরকারি সিদ্ধান্ত- শহরে কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ।
সরকারের এ সিদ্ধান্তগুলি কাফির-মুশরিকদের সমলোচনার সমর্থনমূলক সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকার এরকম সিদ্ধান্ত নিলে এর সাথে যারা সংশ্লিষ্ট থাকবে এবং সমর্থন করবে তাহলে উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ অনুযায়ী তাদের কি ফায়সালা হবে? তা ফিকির করতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে