পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ ও কুলক্ষণ মনে করা কাট্টা কুফরীর শামিল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই। পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছুই নেই। তারকার (উদয় বা অস্ত যাওয়ার) কারণে বৃষ্টি হওয়াও ভিত্তিহীন এবং পবিত্র ছফর শরীফ মাসে অশুভ বলতে কিছুই নেই।” সুবহানাল্লাহ!
অথচ কিছু বদআক্বীদাযুক্ত বদমাযহাবী লোক রয়েছে, যারা বলে থাকে যে- পবিত্র ছফর শরীফ মাস অশুভ। নাঊযুবিল্লাহ!
বর্ণিত রয়েছে, আইয়ামে জাহিলিয়াতে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণ বলে মনে করা হতো। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এসে তাদের সে ভ্রান্ত ও বদআক্বীদা বিশ্বাসের মূলোৎপাটন করেন এবং কোনো বিষয়কে অশুভ বা কুলক্ষণ মনে করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত তা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন।
স্মরণীয় যে, চিকিৎসা শাস্ত্রে সম্মানিত ইসলামী আক্বায়িদ সংক্রান্ত ইলম না থাকার কারণে কোনো কোনো চিকিৎসক বা ডাক্তার কিছু কিছু রোগকে সংক্রামক বলে থাকে যেমন, চর্মরোগ, খুজলী-পাঁচড়া, কুষ্ঠ, কলেরা-বসন্ত ইত্যাদিকে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বলে অভিমত ব্যক্ত করে থাকে। যা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নাজায়িয ও হারাম। কাজেই এরূপ ভ্রান্ত ও কুফরী আক্বীদা হতে বিরত থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরযের অন্তর্ভুক্ত।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে