পবিত্র ছফর শরীফ মাস সব সরকার প্রধানদের ইতিহাস থেকে নছীহত গ্রহণের মাস


পবিত্র ছফর শরীফ মাসটি শুরু হয়েছে। সরকার প্রধানগণ এ সম্মানিত মাস থেকে কতটুকু শিক্ষা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন- তা বুঝা যাচ্ছে না। বিধায় কিছু লিখতে বাধ্য হলাম। বাদশাহ আকবরের পরিচয় জানেন না এমন কোনো সরকার আছেন কিনা তা আমার জানা নেই। কারণ তার এতো প্রভাব, প্রতিপত্তি কিভাবে ধূলিসাৎ হলো তা না জানলে কোনো সরকারই ক্ষমতার মসনদকে অক্ষুণœ রাখতে পারবে না। বাদশাহ আকবরের শাসনামলে সেই যুগের মুজাদ্দিদ ও ইমাম, আফযালুল আউলিয়া হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে মতৈক্যে পৌঁছতে পারেনি। উনার আদেশ-নিষেধ, দাবি-দাওয়াকে তোয়াক্কা না করে পবিত্র দ্বীন উনার বিধি-বিধানকে একের পর এক পরিবর্তন করতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অনেক সময়ই অনেকভাবে তাকে সতর্ক করে ছিলেন। কিন্তু সে সতর্ক তো হয়নি উপরন্তু উনার বিরুদ্ধে নানা প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। উলামায়ে ‘সূ’দের দ্বারা প্রতারিত হয়ে শেষপর্যন্ত উনাকে বন্দি করতেও দ্বিধা করেনি। ফলে উনার রোষানলে পড়ে যায়। সে বুঝতে পারে না যে, যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ উনার সাথে বিরোধিতায় লিপ্ত হওয়া মানে মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া। যার কারণে তার প্রভাব-প্রতিপত্তি চরমভাবে ধূলিসাৎ হয়। পরিশেষে চরম লাঞ্ছিত ও অপমানিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। সেই আফযালুল আউলিয়া হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র ২৮শে সফর শরীফ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এই দিনটি থেকে বর্তমান সরকারপ্রধানদেরকে নছীহত গ্রহণ করা দরকার। কারণ বর্তমানেও একজন মুজাদ্দিদ ও ইমাম রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করছেন। উনার দোয়া ও রোবের তা’ছিরে কাফির-মুশরিকরা চরমভাবে ধ্বংস হচ্ছে। ভদ্রবেশে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর দ্বারস্থ হচ্ছে। কাজেই, উনার দিক-নির্দেশনা ও পরামর্শ গ্রহণ না করে পবিত্র দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার বিধি-বিধানগুলো পরিবর্তন সাধন করলে বর্তমান সরকারকেও চরম মূল্য দিতে হবে।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে