পবিত্র তারাবীহ নামায উনার পর দোয়া-মুনাজাত করা সুন্নত


কাফির, নাস্তিক ও উলামায়ে ‘সূ’রা অনেক বিষয়েই বলে থাকে যা মনগড়া। সেগুলো কিছুতেই মানা যাবে না। আর সেগুলো মানলে কোনোভাবেই ঈমান থাকবে না। যেমন উলামায়ে ‘সূ’রা বলে থাকে- পর্দা করার দরকার নেই। নাউযুবিল্লাহ! ছবি তোলা জায়িয রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! এগুলো কি মানা যাবে? অবশ্যই মানা যাবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার নিকট দোয়া-মুনাজাত কর, আমি তোমাদের দোয়া-মুনাজাতকে কবুল করবো”। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি সে ব্যক্তির প্রতি অসন্তুষ্ট হন”। নাউযুবিল্লাহ!
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পবিত্র ফরয নামায উনার ন্যায় পবিত্র তারাবীহ নামাযসহ যেকোনো পবিত্র নামায উনার পরই হাত উঠিয়ে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা জায়িয ও সুন্নত। আর এটাই সবচেয়ে ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য মত। উলামায়ে ‘সূ’, দুনিয়াদার আলিম যারা কিনা কাফির-মুশরিকদের এজেন্ডা সবসময় বাস্তবায়ন করতে সচেষ্ট থাকে এবং মুসলমানদের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সকল ফায়দা হাসিল করা থেকে বঞ্চিত রাখতে চায় তারা বলে মুনাজাত করার কোনো দরকার নেই। নাউযুবিল্লাহ!
প্রত্যেকের উচিত পবিত্র তারাবীহ নামায উনার চার রাকায়াত পর পর বিশ্রাম নেয়া, পবিত্র দোয়া পাঠ করা, তওবা-ইস্তিগফার করা ও সম্মিলিতভাবে হাত উঠিয়ে মুনাজাত করা। যারা পবিত্র তারাবীহ নামায উনার পর দোয়া-মুনাজাত করার বিপক্ষে বলে তারা বিদয়াতী ও গুমরাহ।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে