পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তির জবাব দেয়া ঈমানের দাবি


‘ইসলাম’ শান্তির দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণে মুসলমান-ঈমানদারগণ শান্তিতে থাকেন ও শান্তিতে থাকতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম উছুল হলো- ফিতনা-ফাসাদ হলো- খুন বা হত্যার চেয়েও বেশি ঘৃণিত ও ভয়ঙ্কর। মুসলমান-ঈমানদারদের এই শান্তিপ্রিয়তা ও শান্তভাবকে অমুসলিম-বিধর্মীরা সুযোগ মনে করে দ্বীন ইসলাম ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে হিংসাত্মক ও ঘৃণাত্মক কথা-বার্তা বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! স্বাভাবিকভাবেই অমুসলিমদের ইসলাম অবমাননার এ বিষয়টি সকল মুসলমানদেরকেই পীড়িত করে, অন্তরকে ব্যথিত করে। যে কারণে মুসলমানগণ তাদের ঈমানী চেতনা ও জযবায় এহেন অপকর্মগুলোর প্রতিবাদ করে থাকেন। মূলত শান্তি বিনষ্টকারী ও ফিতনা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা দ্বীন ইসলাম উনারই কথা। কিন্তু আফসুস! মুসলমানদের মধ্যে ইদানীং একটি শ্রেণী তৈরি হয়েছে, যারা কিনা মুসলমান-ঈমানদারদের এই প্রতিবাদী চেতনা ও জযবাকে বিনষ্ট করতে চায়। তারা বলে- প্রতিবাদ করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “তোমরা সর্বোত্তম জাতি, তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের জন্য। তোমরা মানুষকে নেক কাজের আদেশ দিবে এবং বদ কাজ হতে নিষেধ করবে।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান: আয়াত শরীফ-১১০) এভাবে আরো অনেক স্থানে মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমান-ঈমানদারদারদেরকে অন্যায় কাজ তথা ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ, কথা-বার্তায় নিষেধ করতে বলেছেন। এই নিষেধ করাই মূলত প্রতিবাদ। তাই যারা মুসলমানদেরকে অন্যায়ের প্রতিবাদে বাধা দেয়, চুপ থাকতে বলে, তাদের সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যারা কোনো অন্যায় দেখার পরও প্রতিবাদ না করে, চুপ থাকে- তারা বোবা শয়তান। নাউযুবিল্লাহ!

 

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে