পবিত্র মিলাদ শরীফ পাঠ করায়, ভয়াবহ অগ্নিকান্ড থেকে বেচেঁ যাওয়ার দৃষ্টান্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে পবিত্র ছলাত শরীফ পড়েন। হে ঈমানদারগণ! আপনারাও উনার শান মুবারকে পবিত্র ছলাত শরীফ তথা পবিত্র দূরূদ শরীফ পাঠ করুন এবং সেই সাথে পবিত্র সালাম শরীফ পেশ করুন পবিত্র সালাম শরীফ পেশ করার মতো তথা যথাযথ সম্মানের সহিত।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)

প্রকৃতপক্ষে এই আদেশ মুবারক পালনে রয়েছে বান্দা-বান্দীর জন্য অসংখ্য মর্যাদা-মর্তবা, রহমত। যেমন একটি রহমতের ঘটনা উল্লেখ করছি। চট্টগ্রামে চাক্তাই এলাকায় একটি দোকানে দুর্ঘটনাবশতঃ আগুন লেগে যায়। এক পর্যায়ে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অনেক দোকান পুড়ে যায় এবং অনেকের অনেক সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়। পাশাপাশি যে ভাড়া ঘরগুলো ছিল সেখানেও অনেক ক্ষতি হয়। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো,ঝর্ণা মার্কেট নামক একটি ৭ তলা বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় ছিল এক আল্লাহওয়ালী মহিলার বাসা। সেই মার্কেটেও অনেক ক্ষতি হয় এবং সকলেই ছুটাছুটি করে প্রাণ রক্ষার্থে অন্য কোথাও সরে যায়। ঠিক ওই আল্লাহওয়ালী মহিলাও সরে উনার বাপের বাড়িতে চলে যায়। উনার বাপের বাড়ির থেকে তার বাসা সামান্য দূরে। যার করণে তার ঘরের সবাইকে নিয়ে সেও তার বাপের বাড়িতে চলে যায়। কিন্তু উনার শ্বশুর পরিবারের যারা ছিল সবাই চিন্তিত, কি হবে নিজেরা তো চলে আসলাম, ঘরে তো সব আসবাবপত্র ইত্যাদি রয়ে গেছে। তবে আল্লাহওয়ালী মহিলা হালকা যদিও একটু টেনশন করছিল। কিন্তু তার এতটুকু বিশ্বাস ছিল, আমার ঘরে কিছুই হবে না, আমি ওই ঘরে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করি, সে এটা ভেবে আবারো পবিত্র মীলাদ শরীফ পড়তে লাগলো। ঠিক তার পরের দিন তারা সবাই বাসায় গিয়ে দেখে তার ঘর যেমনি ছিল তেমনি রয়েছে, কোনো ক্ষতি হয়নি। সুবহানাল্লাহ!এবং অন্যান্যা বাসার লোকেরা খবর পেয়ে ছোটে আসে ঘটনাটি সত্য কিনা দেখার জন্য, তারা সবাই হতবাক! আসলেই কিভাবে সম্ভব? তখন সেই আল্লাহওয়ালী মহিলা বলল আমার ঘরে মিলাদ শরীফ পাঠ করা হয় যার কারনে আমার কোন ক্ষতি হয়নি।সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে