পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কমে যাওয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের সর্বত্র এমনকি সব মসজিদ মক্তবেও পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উনাদের মাহফিল জারি ছিলো। যখনি ভারতের দেওবন্দ মাদরাসা কেন্দ্রীক শিক্ষায় দাওরা করে কতিপয় মালানা মুফতে এদেশে আগমন করলো আর বিভিন্ন মক্তব মসজিদে ঢুকে পড়লো, তখন থেকেই তারা চক্রান্ত করে বিদাত বিদয়াত বলে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উনাদের মাহফিলগুলো বন্ধ করতে লাগলো। নাউযুবিল্লাহ! বিশেষ করে, মালানা হাফেজ গংদের মাধ্যমে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ বিরোধী ফিতনা বাংলার যমীনে ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। এরা কিন্তু বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ উনার সম্মানিত প্রথম খতীব, উস্তাদুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ মুফতী হযরত আমীমুল ইহসান মুজাদ্দেদী বরকতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি হায়াত মুবারকে থাকা অবস্থায় কোনদিনই উনার সম্মুখে দাঁড়িয়ে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ করা বিদয়াত নাজায়িয ইত্যাদি বলার দুঃসাহস কথিত ওলামায়ে দেওবন্দ দেখাতে পারেনি। উনার ইন্তেকালের পর হতে এই নব্য ওহাবীরা রহমত বরকত পাবার প্রধান উসীলা পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উনাদের বিরোধিতায় ঘেউ ঘেউ শুরু করলো। নাউযুবিল্লাহ!
এরা যে কত বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উনাদের বিদ্বেষী তা একটি ঘটনা দ্বারা গোটা দেশবাসী আবারো প্রত্যক্ষ করে। বিগত কয়েক বছর আগে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তনের ৪০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান সূচির উদ্বোধনের প্রথমে মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়াস্বরূপ পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ মাহফিল রাখা হয়। কিন্তু দেওবন্দী হাফেজদের অনুসারী কতিপয় মালানা বলেছিলো- এটা বিদয়াত নাজায়িয। এমন একটা বিশাল অনুষ্ঠানে এমন বিদয়াতী আমল না করাটাই ভালো। বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের মধ্যেই দায়িত্বশীল একজন বলে উঠলো, ঠিক আছে তারা গান-বাদ্য নৃত্য দিয়েই অনুষ্ঠান শুরু করবে! নাউযুবিল্লাহ! এসময় ঐ সকল দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ীরা একবারের জন্য বলে উঠেনি, গান-বাজনা বা নৃত্য এগুলো বিদয়াত হারাম। বরং পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ মাহফিল বানচাল করতে পারায় তারা মালউন ইবলিস শয়তানের মতো হাসি দিয়ে নিশ্চুপ থেকেছিলো। আসলে এভাবেই এরা সমাজ থেকে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উনাদের মাহফিল উঠিয়ে দিয়ে রহমত বরকতের পরিবর্তে আযাব-গযব লা’নতের কারণ হারাম গান-বাদ্য নৃত্য সিনেমা নাটক ইত্যাদি অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
2
Views Today
8
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে