পবিত্র রজবুল আছম্ম শরীফ মাসের মর্যাদা-মর্তবা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত


সম্মানিত রজবুল আছম্ম মাসের মর্যাদা-মর্তবা বলার অপেক্ষা রাখে না। বছরের যে পাঁচটি রাতে বিশেষভাবে দুয়া কবুল হয় ‘রজবুল আছম্ম মাসের পহেলা রাত্রটি’ তার মধ্যে সর্বপ্রথম। এ মাসের ‘প্রথম জুমুয়ার রাত্রটি হচ্ছে লাইলাতুর রগায়িব।’ এসব কারণেই এই মাসের মর্যাদা-মর্তবা বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। এ মাসেই রমাদ্বান শরীফ মাস উনার জন্য আমলের প্রস্তুতি গ্রহণ করা শুরু হয়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রজবুল আছম্ম মাসের চাঁদ দেখে দুয়া করতেন,
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَب، وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ
“আয় আল্লাহ পাক! রজবুল আছম্ম ও শা’বান মাসে বরকত দান করুন এবং রমাদ্বান শরীফ পর্যন্ত পৌঁছার তাওফিক দান করুন।”
কিতাবে উল্লেখ আছে, ‘রজবুল আছম্ম মাস হচ্ছে বীজ বপনের মাস, শা’বান মাস হচ্ছে পানি সেচ করার মাস এবং রমাদ্বান শরীফ হচ্ছে ফসল কাটার মাস। যে ব্যক্তি রজবুল আছম্ম মাসে ইবাদত-বন্দেগীর বীজ বপন করবে না এবং শা’বান মাস মাসে চোখের পানি দ্বারা তাতে পানি সেচ করবে না; সে কি করে রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে ফসল কাটার আশা করতে পারে? অর্থাৎ সে ব্যক্তির জন্য রহমত, বরকত, মাগফিরাত, নাজাত কিছুই হাছিল করা সম্ভব হবে না।
তাই সকল মু’মিন মুসলমানদের উচিত এ মাস আসা মাত্রই নিজেদের বদআমল ও বদআক্বীদা সব ছেড়ে দিয়ে খালিছ তওবা করে বেশি বেশি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ডাকা অর্থাৎ উনার ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে