পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস ৭টি দোযখ থেকে মুক্তির মাস, পবিত্র জান্নাত হাছিল করার মাস


হিজরী সনের ৭ম মাস হলো ‘রজবুল আছাম্ম শরীফ’ অর্থাৎ বধির মাস। এ মাস বান্দাদের গুনাহের সাক্ষী হয় না বলেই এ মাসকে রজবুল আছাম্ম বলা হয়। অত্র মাহে রজব শরীফ উনার পহেলা তারিখের রাতে বান্দার যে কোনো দুয়া মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করে থাকেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, “নিশ্চয়ই বান্দার দুয়াসমূহ বিশেষ পাঁচটি রাতে কবুল হয়ে থাকে। ১. রজব মাসের পহেলা রাত। ২. শবে বরাত বা বরাতের রাত। ৩. শবে কদরের রাত। ৪. ঈদুল ফিতরের রাত। ৫. ঈদুল আদ্বহার রাত।” সুবহানাল্লাহ! (বাইহাকী শরীফ, শুয়াবুল ঈমান, আল উম্ম লি ইমাম শাফেয়ী ১/২৬৪)
বান্দা যত বড় গুনাহগারই হোক না কেন এ রাতে দুয়া করলে নির্ঘাত কবুল হয়ে যায়, বান্দা নিষ্পাপ হয়ে যায়। বান্দাদের শুধু চাইতে দেরি, কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার কবুল করতে দেরি হয় না। সুবহানাল্লাহ!
রজব মাস যেমনিভাবে আরবী মাসের ৭ম মাস। তেমনি ১লা রজবুল হারামসহ এ মাসের বিশেষ দিন-রাত্রিতে ইবাদতকারী বান্দা ও বান্দীরা ৭টি দোযখ থেকে পরিত্রাণ পেয়ে থাকেন। মহান আল্লাহ পাক উনার জান্নাত লাভের উপযোগী হোন।
পবিত্র রজব মাস হচ্ছেন ইবাদতের বীজ বপনের মাস। শা’বান মাস তাতে পানি সেচের মাস আর রমাদ্বান মাস হলো ইবাদতের ফসল কাটার মাস। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, বান্দাদেরকে উপরোক্ত ৩ মাসে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগী করে মুখলিছ ও নেককার বান্দা হিসেবে আখ্যায়িত হওয়া দরকার। মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে কবুল করেন, ক্ষমা করুন, মঞ্জুর করুন। আমীন!
Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে