পবিত্র রজবের পহেলা রাত, লভি যবে রহমত ও নাযাত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই পাঁচ রাতে খাছভাবে দোয়া কবুল হয়ে থাকে- পবিত্র রজব মাসের প্রথম রাতে, পবিত্র লাইলাতুল বরাত ও পবিত্র লাইলাতুল কদর উনাদের রাতে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহার রাতে। সুবহানাল্লাহ।
বরকতময় পবিত্র ১লা রজব উনার রাতে যিনি হাযির-নাযির, মুত্ত্বলা আলাল গাইব, যিনি হায়াতুন নবী, শাহিদুন নবী, আখেরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নুরে মুজাস্সাম, হাবীবুলল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র এবং মহাসম্মানিত আব্বা এবং মহাপবিত্রা এবং মহাসম্মানিতা আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের নিছবতে আযিমাহ মুবারক সম্পন্ন হয় এবং এই ধারাবাহিকতায় রহমাতুল্লিল আ’লামিন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আদাদ মহাসম্মানিত ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফে যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন। এই বর্ণনা থেকেই অনুধাবন করা সম্ভব এই রাত মুবারক কতই না সম্মানিত ও বরকতময়!

মানুষের জিন্দেগীর একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে রহমত, সাকীনা, বরকত, হুরমত, নাযাত ও জান্নাত ইত্যাদি যত প্রকার খায়ের বরকত আছে তা হাছিল করা। সেটাই যদি হয়ে থাকে তাহলে আগে থাকতেই প্রস্তুতি নিয়ে পবিত্র রজব মাসের প্রথম রাতে সারারাত ইবাদত বন্দেগী, তওবা-ইস্তিগফার তাসবিহ-তাহলিল এবং মীলাদ শরীফ পাঠ করে যিনি খালিক মালিক রব আল্লাহ পাক উনার কাছে দোয়া করে কাটিয়ে দিন এবং দিনে রোজা রাখুন। এই রাত দোয়া কবুলের রাত এবং নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত দয়াশীল, ক্ষমাশীল, দানশীল এবং প্রশান্তিদাতা। আর পবিত্র রাতের পবিত্রতা রক্ষা করাও একটা ইবাদত। অতএব এই রাতের সম্মানার্থে হারাম টিভি চ্যানেল দেখা, বেপর্দা হওয়া, খেলাধুলা করা বা দেখা, গান-বাজনা ইত্যাদি থেকে তওবা ইস্তেগফার করে হক্ব মতে-পথে ফিরে আসুন। অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করনেওয়ালা ক্ষমাশীল। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে