পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকা অর্থাৎ শবে বরাত শরীফ উপলক্ষ্যে কমপক্ষে ৩ দিন সরকারি ছুটি দেয়া জরুরী


আমাদের বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান। তাই সরকারের উচিত ছিল ইসলামিক পর্বগুলোতে ব্যাপক আকারে ছুটি প্রদান করা। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টোটা হয়ে আসছে। অর্থাৎ ইসলামিক পর্বগুলোতে ছুটি দেয়া হচ্ছে না, আর ছুটি দিলেও নামকাওয়াস্তে ছুটি দেয়া হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
আমরা লক্ষ্য করে আসছি যে, পহেলা বৈশাখ, থার্টিফার্স্ট নাইট, দুর্গাপূজা, বৌদ্ধদের বৌদ্ধ পূর্ণিমা, কথিত শ্রমিক দিবস থেকে শুরু করে ইসলামী তাহযীব-তামদ্দুন বিরোধী পর্বগুলোতে সরকারি ছুটির হিড়িক পড়ে যায়। কিন্তু লাইলাতুল মি’রাজ, পহেলা রজব, লাইলাতুর রগায়িব, ফাতিহায়ে ইয়াজদাহম, খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিছাল শরীফ ৬ই রজব থেকে শুরু করে তাবৎ ইসলামী এবং মুসলমানগণের ঈমান ও জযবা বৃদ্ধিকারী পর্বগুলোতে সরকারি ছুটি দেয়া হচ্ছে না। আর ইসলামী কিছু পর্বের মধ্যে ছুটি দিলেও নামকাওয়াস্তে ছুটি দেয়া হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত পাঁচ রাত্রির মধ্যে এই পবিত্র বরাত উনার রাত্র হচ্ছে অন্যতম গুরুত্ববহ। এই রাত্রিতেই সর্বপ্রকার প্রজ্ঞাময় বিষয়সমূহের ফায়ছালা করা হয়। প্রত্যেক মু’মিনীন, মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- এই রাত্রে ইবাদত বন্দেগী করা, তওবা ইস্তিগফার করা। যাহোক, ইসলামে পবিত্র লাইলাতুল বরাত উনার গুরুত্ব অত্যধিক। তাই এই সম্মানিত, মুবারক রাত তথা লাইলাতুল বরাত উপলক্ষে কমপক্ষে ৩ দিন সরকারি ছুটি দেয়া জরুরী।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে