পবিত্র শা’বান শরীফ মাসে রোযা রাখার সুন্নত আদায় করতে হলে উত্তম হলো- ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ দিনগুলোতে রোযা রাখা


পবিত্র রমাদ্বান শরীফ পুরো মাসে রোযা রাখা ফরয। এছাড়া বাকী মাসগুলোতে নির্দিষ্ট সংখ্যক রোযা রাখা খাছ সুন্নত এবং অশেষ ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা লাভের কারণ।
উল্লেখ্য, পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসে ১০টি এবং অন্যান্য প্রতি মাসে ৩টি করে রোযা রাখা খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।
অতএব, পবিত্র শা’বান শরীফ মাসে রোযা রাখার খাছ সুন্নতটি আদায় করতে হলে উত্তম হলো ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ দিনগুলিতে রোযা রাখা। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিশুদ্ধ কিতাব ‘নাসায়ী শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত উসামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম তিনি বলেন, আমি আরজ করলাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! পবিত্র শা’বান শরীফ মাসে আপনাকে যতবেশি রোযা রাখতে দেখি অন্য কোনো মাসে ততবেশি দেখি না, এর কী কারণ? তিনি বললেন, এ মাসটি পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ ও পবিত্র রমাদ্বান মাস উনার মধ্যবর্তী অতীব ফযীলতপূর্ণ মাস, অথচ লোকেরা এ মাসটির ব্যাপারে উদাসীন। এ মাসে বান্দার আমলসমূহ রব্বুল আলামীন উনার দরবারে পেশ করা হয়। আমার আমলসমূহ পেশ করা কালে আমি রোযাদার অবস্থায় থাকা পছন্দ করি।” সুবহানাল্লাহ!
বস্তুত পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিই হচ্ছে সেই বরকতপূর্ণ রাত যেই রাতটিতে বান্দার আমলনামা মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে পেশ করাসহ বান্দার রুযী-রোযগার, হায়াত-মউত প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ফায়ছালা করা হয়। সুবহানাল্লাহ!
উক্ত রাতে ইবাদত করা এবং পরের দিন রোযা রাখার জন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নির্দেশ মুবারক করা হয়েছে।
এছাড়া পূর্বোল্লিখিত ‘নাসায়ী শরীফ’-এ বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদকৃত ‘আমার আমলসমূহ পেশ করাকালে আমি রোযাদার অবস্থায় থাকা পছন্দ করি’ এ দ্বারা ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ দিনে রোযা রাখার বিষয়টি প্রতিভাত হয়।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে