পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সীমাহীন ফযীলত, বুযুর্গী, সম্মান হাছিল


বর্ণিত রয়েছে, খলীফা হারুনুর রশীদের খিলাফতকালে বছরা শহরে এক যুবক ছিল। সে নিজের নফসের প্রতি যুলুমকারী ছিল অর্থাৎ সে নানা পাপাচারে লিপ্ত ছিল। তার অপকর্মের কারণে শহরবাসীর চোখে সে ঘৃণিত ও সমালোচিত ছিল। তবে তার একটা উত্তম আমল হচ্ছে যখন সম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস আগমন করতো তখন সে তার পোশাক পরিচ্ছদ ধৌত করে পরিধান করতো, সুগন্ধি ব্যবহার করতো, সাজ-সজ্জা করতো এবং ওলীমা বা খাদ্যের ব্যবস্থা করতো। আর এ সমস্ত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক উনার সম্মানার্থেই সে করতো। তার উক্ত আমল দীর্ঘ সময়ব্যাপী জারী ছিল। অতঃপর সে যখন ইন্তিকাল করলো তখন শহরের অধিবাসীগণ অদৃশ্য আওয়াজ শুনতে পেলেন। একজন আহ্বানকারী তিনি ঘোষণা করছেন, হে শহরবাসী! খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বিশিষ্ট ওলী উনার জানাযায় আপনারা উপস্থিত হোন। কেননা তিনি আমার কাছে অত্যন্ত প্রিয়। অতঃপর শহরবাসী উনার জানাযায় উপস্থিত হলেন এবং উনাকে দাফন করলেন। এরপর উনারা উনাকে স্বপ্নে দেখতে পেলেন যে, তিনি সম্মানিত জান্নাত উনার মধ্যে কারুকার্য বিশিষ্ট, রেশমী কাপড় পরিধান করে বীরদর্পে চলছেন। এরূপ মহা শানে দেখে উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, এই ফযীলত আপনি কি করে লাভ করলেন? তিনি বললেন, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস উনাকে তা’যীম-তাকরীম বা সম্মান করার কারণে এ ফযীলত লাভ করেছি। সুবহানাল্লাহ! (ইয়ানাতুত ত্বালিবীন: ৩য় খ-, পৃষ্ঠা নং ৬১৩)

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে