পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন না করলে জবাবদিহি করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ ও যথাসাধ্য খিদমত করার মাধ্যমেই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে। আর যদি কেউ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন না করে, খুশি প্রকাশ না করে তাহলে তার কিরূপ শাস্তি হতে পারে তা বুঝার জন্য হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিলের সেই ঘটনাই যথেষ্ট। হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করেলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিল করেন, এই দোয়ার প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি বেহেশতী খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিল করবো; অতঃপর খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিলের ওই দিনটিকে ঈদ বা খুশির দিন হিসেবে পালন করতে হবে। আর যে খুশির দিন হিসেবে মেনে না নিবে এবং অস্বীকার করবে, আমি তাকে এমন শাস্তি দিবো যা সারা কায়িনাতের আর কাউকে দিবো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৫) যদি একটি বেহেশতী খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিলের দিনটিতে খুশি প্রকাশ করতে হয় এবং খুশি প্রকাশ না করলে যদি এতো শাস্তি পেতে হয়, তাহলে যিনি সৃষ্টি না হলে কোনো কিছুই সৃষ্টি হতো না এবং খাদ্যসহ খাঞ্চা তো দূরের কথা হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনিও দুনিয়াতে আসতেন না। মহান আল্লাহ পাক উনার সেই রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ না করলে কিরূপ শাস্তি হবে তা চিন্তা ও ফিকিরের বিষয়।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে