পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বোনাস চালু করুন।


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “সমস্ত কাফির-মুশরিক মুসলমানদের শত্রু। তোমরা কখনই তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না” এবং তাদেরকে অনুসরণ করিও না।
কাজেই নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেফজ হোক, আরবী হোক ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী, মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।
জমশীদ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ সালে নওরোজের প্রবর্তন করেছিল। যা পরবর্তীতে নববর্ষ নামে উৎসবরূপে পালিত হয়।
ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ পালনের সংস্কৃতি হিন্দুদের থেকে এসেছে। বাদশাহ আকবর মঙ্গলীয়ান ছিলো। আর ভাষাগত সে ফারসী ভাষী ছিল। সে ফসলী সন প্রবর্তন করে। এটা কোনো বাঙালি দ্বারা প্রবর্তিত নয়।
বাংলা নববর্ষের আগের দিন বিধর্মীদের চৈত্রসংক্রান্তি। আর পহেলা বৈশাখ হলো তাদের ঘট পূজারদিন। অতএব, পহেলা বৈশাখ, পহেলা জানুয়ারি, পহেলা মুহররম ইত্যাদি নববর্ষ পালন করার জন্য উৎসাহিত করা এবং এদিনে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা কাট্টা হারাম ও কুফরী; যা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।
আর বাংলাদেশ সরকার এই পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বোনাস দেয়ার ঘোষণা করেছে। বৈশাখের বোনাসের পরিবর্তে কিন্তু সরকারের উচিত ছিল রবীউল আউওয়াল শরীফ বা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে বোনাস প্রদান করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে