পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অস্বীকার করলে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি দোয়া করেছিলেন, “আয় আল্লাহ পাক! আয় আমাদের রব! আমাদের জন্য আপনি আসমান হতে (বেহেশতী খাদ্যের) খাদ্যসহ একটি খাঞ্চা নাযিল করুন। খাঞ্চা নাযিলের উপলক্ষটি অর্থাৎ খাদ্যসহ খাঞ্চাটি যেদিন নাযিল হবে, সে দিনটি আমাদের জন্য, আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য ঈদ বা খুশিস্বরূপ হবে এবং আপনার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হবে। আমাদেরকে রিযিক দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি উত্তম রিযিকদাতা। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই আমি আপনাদের জন্য খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিল করবো। অতঃপর যে ব্যক্তি সে খাদ্যসহ খাঞ্চাকে ও নাযিলের দিনকে ঈদ বা খুশির দিন হিসেবে পালন করবে না, বরং অস্বীকার করবে আমি তাকে এমন শাস্তি দিবো; যে শাস্তি সারা কায়িনাতের অপর কাউকে দিব না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৪, ১১৫)
এখানে ফিকিরের বিষয়, সামান্য খাদ্যসহ একটি খাঞ্চা নাযিলের দিনটি যদি হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার এবং উনার উম্মতের জন্য খুশির কারণ ও খুশির দিন হয়ে যায় এবং সে খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিলের জন্য খুশি প্রকাশ না করলে কঠিন শাস্তির যোগ্য হয়, তাহলে যিনি সৃষ্টির মূল, যিনি সারা আলমের জন্য রহমত, যাঁকে সৃষ্টি না করলে কোনো কিছুই সৃষ্টি করা হতো না এমনকি স্বয়ং হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনারও সৃষ্টি এবং আগমন হতো না; সেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওজুদ পাক প্রকাশের দিনটিকে কিরূপ খুশির দিন হিসেবে উদযাপন করা উচিত? এবং খুশি প্রকাশ না করলে কিরূপ শাস্তি ভোগ করতে হবে? অবশ্যই তাকে হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার উম্মতের চেয়েও কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে