পবিত্র সুন্নত তথা দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকেই সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাত হাদিয়া করবেন এবং সর্বোচ্চ সম্মানে অধিষ্ঠিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! তবে তাঁকে অবশ্যই হাক্বীকী ‘বান্দা’ ও ‘উম্মত’ হতে হবে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘তোমরা পরিপূর্ণভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাতে প্রবেশ কর।’ এই পরিপূর্ণ দ্বীন ইসলাম শিক্ষা যিনি দিয়েছেন, তিনিই মুসলমানদের জন্য ‘সর্বোত্তম আদর্শ’ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! আর তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

এখন যদি উনাকে কেউ অনুসরণ না করে তাহলে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সে বিধর্মীদের অনুসরণ করতে বাধ্য হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! ফলে সে কুফরী ও গুমরাহীতে মশগুল হবে এবং পরিণামে জাহান্নামের কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। নাউযুবিল্লাহ!

পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যেদিন জাহান্নামের আগুনে তাদের চেহারা ঝলসিয়ে দেয়া হবে সেদিন তারা বলবে, হায়! আমরা যদি মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করতাম।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬৬)

কিন্তু সেদিন এই আফসুসের কথা কেউ শুনবে না। হাশরের কঠিন সময় যখন দন্ডায়মান থাকতে হবে, তখন সূর্যের অবস্থান হবে মাথার ঠিক এক মাইল উপর। জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে সে বাঁচতে পারবে না। কারণ সে তো কাফিরদের সাথে মিল-মুহব্বত রেখেছে। তাই তার হাশর-নশর ও জাহান্নামের শাস্তি কাফিরদের সাথেই অনন্তকাল চলতে থাকবে। নাউযুবিল্লাহ!

তাই মুসলমানদের এখনো সময় আছে- তওবা ইস্তেগফার করে পবিত্র দ্বীন ইসলামে দাখিল হওয়ার। এখনো সময় আছে কাফিরদের শত্রু ভেবে তাদের মহব্বত ও ছোহবত থেকে সরে আসার।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে