পবিত্র সুন্নত মুবারক জারী হওয়া মানেই বিদয়াত দূরীভূত হওয়া


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা পাবে। সুবহানাল্লাহ!
স্মরণীয় যে, “পবিত্র সুন্নত” ফরয উনার নেকীকে বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেয় এবং যেখানে পবিত্র সুন্নত মুবারক জারি হয় সেখানে বিদয়াত দূরীভূত হয়ে যায়, আর বিদয়াত মানেই আযাব-গযব লা’নত, অসন্তুষ্টি এবং পবিত্র সুন্নত মুবারক মানেই রহমত, বরকত, সাকীনা, লাভের কারণ। মূলত, এই পবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা মানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করা উনাকে ইত্তিবা তথা অনুসরণ করা। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে নারী পুরুষ সকলকে সচেষ্ট হওয়া অত্যবাশ্যকীয়। এখন কেউ যদি বলে এত সুন্নত মুবারক উনার দরকার নাই, ফরয পালন করলেই হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ!
প্রকৃতপক্ষে পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে অস্বীকার করার কারণে সে কাফির হয়ে যাবে। আর কাফিরদের জন্য জাহান্নামই হলো যথোপযুক্ত স্থান যা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্ধারণ মুবারক করে রেখেছেন। অতএব, জাহান্নাম হতে নিস্তার পেতে হলে পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার আমলকে পরিপূর্ণ ইত্তেবা করতে হলে, এই যামানার যিনি ইমাম, ইমামুল উমাম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ছোহবত মুবারকে এসে উনার পবিত্র হাত মুবারকে বাইয়াত হতে হবে। তাতেই বান্দা-বান্দীর পক্ষে সম্ভব হবে হাক্বীক্বী সুন্নত মুবারক পালন করে হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়া, কাজেই মহান আল্লাহ পাক কায়িনাতের তামাম জিন-ইনসানকে উনার নূরী ক্বদম মুবারকে এসে ইস্তিক্বামত থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে