পরিপূর্ণভাবে সুক্ষাতিসুক্ষ পুঙ্খানুপুঙ্খ সুন্নত মুবারক পালন এবং জারি করনে তিনি বেমেছাল, অতুলনীয়, অদ্বিতীয়, কিংবদন্তী, সর্বজনস্বীকৃত ও বিশ্বসমাদৃত অনন্য ব্যক্তিত্ব মুবারক


“কামিল শায়েখ উনার সর্বশ্রেষ্ঠ কারামত মুবারক হচ্ছেন- সুক্ষাতিসুক্ষ পুঙ্খানুপুঙ্খ সুন্নত মুবারক পালন।”

পরিপূর্ণভাবে সুক্ষাতিসুক্ষ পুঙ্খানুপঙ্খ সুন্নত মুবারক পালন এবং জারি করণে যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বেমেছাল, অতুলনীয়, অদ্বিতীয়, কিংবদন্তী, সর্বজনস্বীকৃত ও বিশ্ব সমাদৃত অনন্য ব্যক্তিত্ব মুবারক।

এ প্রসঙ্গে হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটা ওয়াকিয়া রয়েছে। হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪০ হাজার হাদীছ শরীফ উনার হাফিয ছিলেন এবং ৪ শত ওস্তাদ উনাদের নিকট পড়াশোনা করেছেন, সেই যামানার প্রায় সমস্ত কিতাবাদী তিনি পড়ে ছিলেন এবং সেই যামানার প্রধান আলীম উনাদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!! তিনি সম্মানিত কুরআন শরীফ, সম্মনিত হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ পড়ে জানতে পারলেন, বুঝতে পাড়লেন যে, কামালিয়ত বা পূর্ণতা হাছিলের জন্য একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহন করা ফরযে আ’ইন। সেজন্য তিনি কামিল শায়েখ তালাশ করতে লাগলেন। তিনি অনেক জায়গায় তালাশ করেছিলেন কিন্তু উনার শর্তশারায়েতের সাথে মিলেনি বলে বাইয়াত গ্রহন করেননি। উনার একজন বন্ধু তিনিও আলীম ছিলেন, তিনি বললেন, আপনি সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা হযরত জুনায়িদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছোহবত মুবারকে যান, তিনি বড় আলীম এবং সূফী।

হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিছানাপত্র নিয়ে সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা হযরত জুনায়িদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ গেলেন এবং সেখানে ১০ দিন অবস্থান করলেন। উদ্দেশ্য ছিল, সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা হযরত জুনায়িদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখা। ১০ দিন পর হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিছানাপত্র গুছাচ্ছিলেন, কারণ তিনি দরবার শরীফ থেকে চলে যাবেন। এ বিষয়টি সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা হযরত জুনায়িদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লক্ষ্য করতেছিলেন। হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ডাকলেন এবং বললেন, কি ব্যপার আপনি চলে যাচ্ছেন কেন?? হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হুযূর বেয়াদবী মাফ করবেন! আমি আপনার দরবার শরীফ ১০ (দশ) দিন অবস্থান করলাম কিন্তু একটি কারামত মুবারকও দেখলাম না, তাই আমি চলে যাচ্ছি।

হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি দেখলেন যে, হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যাহিরী আলীম। আর যাহিরী ইলম দ্বারা কস্মিনকালেও কামিল শায়েখ উনার হাক্বীক্বী শান-মান, মর্যাদা-মর্তাবা, ফাযায়িল- ফযীলত, বুযূর্গী সম্মান মুবারক বুঝা বা উপলব্ধি করা সম্ভব নয়।

তখন তিনি বললেন, আপনি যতদিন অবস্থান করেছেন, ততদিনে আমাকে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার খিলাফ কোন আমল করতে দেখেছেন কি?? হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অনেক্ষণ চিন্তা করার পর বললেন, না! আমি আপনাকে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার খিলাফ কোন আমল করতে দেখিনি। সুবহানাল্লাহ!

তখন হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, ইহাই আমার সবচেয়ে বড় কারামত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!!

হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বিষয়টি বুঝতে পারলেন এবং হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট ক্ষমা চাইলেন এবং বললেন, হুযূর! আমাকে বাইয়াত করান।

হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, এখন কেন? আপনি তো চলে যাচ্ছিলেন। হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ক্ষমা চাইলেন, বিনয়ী হলেন। হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ক্ষমা করলেন এবং বাইয়াত করালেন। বাইয়াত গ্রহণ করার পর হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি তিনি হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বলেছিলেন, হুযূর বেয়াদবী ক্ষমা চাই! আপনার নিয়ামত মুবারক আমাকে হাদিয়া মুবারক করুন। হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, এভাবে হবেনা, আপনাকে রিয়াজত-মাশাক্কাত করতে হবে। হযরত আবু বকর শিবলী রহমতুল্লাহি তিনি উনার কামিল শায়েখ উনার আদেশ মুবারক মুতাবিক রিয়াজত-মাশাক্কাত করতে করতে হযরত সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিয়ামত মুবারক হাছিল করেন এবং উনার প্রধান ২ (দুই) জন খলীফা উনাদের একজন তিনি হন। সুবহানাল্লাহ!!!

এখন বর্তমান যামানায় হাক্বীক্বী কামিল শায়েখ আলাইহিস সালাম হচ্ছেন, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!!! উনার বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, অসংখ্য অগণিত ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক থেকে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হলো:-

১) পরিপূর্ণভাবে সুক্ষাতিসুক্ষ পুঙ্খানুপুঙ্খ সুন্নত মুবারক পালন: তিনি মাথা মুবারক উনার তালু মুবারক হতে পা মুবারক উনার তলা মুবারক পর্যন্ত সুক্ষাতিসুক্ষ সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ করেন। সুবহানাল্লাহ!

* যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি সাদা, সুতি কাপড়ের, চার টুকরা বিশিষ্ট গোল খাছ সুন্নতী টুপি মুবারক পরিধান করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না সুবহানাল্লাহ!!
* তিনি গুটলি যুক্ত, গোল, কোনা বদ্ধ, নিছফুছ ছাক্ব অর্থাৎ হাঁটু মুবারক এবং টাকনু মুবারক উনাদের মাঝামাঝি লম্বা, সাদা সুতি কাপড়ের খাছ সুন্নতী কোর্তা মুবারক পরিধান করে থাকেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি কালো, সাদা, সবুজ রঙের খাছ সুন্নতী পাগড়ি মুবারক পরিধান করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি পাগড়ী মুবারক উনার উপরে সাদা, সুতি কাপড়ের, বর্গাকার খাছ সুন্নতী রুমাল মুবারক খাছ সুন্নতী নিয়মে পরিধান করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি খাছ সু্ন্নতী ইযার অর্থাৎ সাদা, সুতি কাপড়ের, সেলাই বিহীন খাছ সুন্নতী লুঙ্গী মুবারক পরিধান করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি চামড়ার, ক্রস ফিতা যুক্ত, খয়েরি রঙের খাছ সুন্নতী না’লাইন মুবারক তথা স্যান্ডেল মুবারক ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি চামড়ার, খয়েরি রঙের খাছ সুন্নতী মোজা মুবারক ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি খাসির চামড়ার, খয়েরী রঙের খাছ সুন্নতী দস্তরখানা ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি খাছ সুন্নতী কাঠের প্লেট মুবারক, বাটি মুবারক, লবন দানি মুবারক ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি উজ্জল গম রঙের বা কালো রঙের খাছ সুন্নতী জুব্বা মুবারক ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি খাছ সুন্নতী টুপি মুবারক উনার নিচে পাতলা কাপড় যাকে খাছ সুন্নতী কিনায়া যা মাথা মুবারকে তেল দিলে পড়া হয়, তিনিও মাথা মুবারকে তেল তিলে সেই খাছ সুন্নতী কিনায়া ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!
* তিনি এক বিঘাত উচ্চতা সম্পন্য খাছ সুন্নতী চোকি মুবারক ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ
* তিনি চামড়া খয়েরী রঙের খাছ সুন্নতী বালিশ মুবারক ব্যবহার করেন। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। সুবহানাল্লাহ!

এভাবে যদি একেক করে উনার প্রতিটি সুন্নত মুবারক সম্পর্কে লিখতে যাই, তবে তা অসীমে পরিনত হবে। কারণ উনার কথা-বার্তা মুবারক, চাল-চলন মুবারক, আচার-আচরন মুবারক, ইশারা-ইঙ্গিত মুবারক, খাওয়া-দাওয়া মুবারক, মুয়ামিলাত-মুয়াশিরাত মুবারক, ইবাদত-বন্দেগী মুবারক প্রতিটি বিষয়ে খাছ সুন্নত মুবারক এমনভাবে পালন করে থাকেন যা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুবহু নক্বশা মুবারক। সুবহানাল্লাহ! যা উনার ‘হাবীবুল্লাহ’ লক্বব মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ। সুবহানাল্লাহ!!

কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

. قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ

অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো, তবে আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক নিজেই তোমাদেরকে মুহব্বত মুবারক করবেন।” সুবহানাল্লাহ!!

এই সম্মানিত আয়াত শরীফ মুতাবিক, যিনি যতবেশী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করবেন, তিনি ততবেশী মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব ব্যক্তিত্ব মুবারকে পরিনত হবেন, মহান আল্লাহ পাক উনার ততবেশী ক্বুরবত মুবারক বা নৈকট্য মুবারক লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!!

২) হারাম ছবি-ভিডিও, টিভি-চ্যানেল থেকে সম্পূর্ন মুক্ত বা পবিত্র:

তিনি হারাম ছবি তুলেন না এমনকি উনার পুরা যিন্দেগী মুবারকে একটি স্ট্যাম্প সাইজেরও ছবি নাই। সুবহানাল্লাহ! যা একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মনোনীত মাহবুব ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদের পক্ষেই সম্ভব।

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
كُلُّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ
অর্থ: “প্রত্যেক প্রাণীর ছবি তুলনেওয়ালা বা তুলানেওয়ালা জাহান্নামী।” (মুসলিম শরীফ)

৩) হাক্বীক্বী শরয়ী পর্দা পালন:
তিনি কস্মিনকালেও বেপর্দা হন না; এমনকি পাঁচ বছরের উপরের কোন বাচ্চা মেয়েও উনার সামনে যেতে পারেনা। সুবহানাল্লাহ! এতো কঠিন পর্দা রক্ষা করা একমাত্র মনোনীত ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদের পক্ষেই সম্ভব।

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,

لَعَنَ اللَّهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ

অর্থ: “যে দেখে এবং দেখায় অর্থাৎ বেপর্দা হয়, উভয়ের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত। ” নাউযুবিল্লাহ!

৪) পরিপূর্ণ দ্বীন ইসলাম পালন:
তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন কুফরী তর্জ-তরীক্বা, নিয়ম-নীতি যেমন: কুফরী গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, মৌলবাদ সন্ত্রাসবাদ, হরতাল, লংমার্চ, কুশুপুত্তলিকা দাহ ইত্যাদি অনুসরণ করেন না। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ ۗ
অর্থ: “নিশ্চয় মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র কবুলযোগ্য দ্বীন হচ্ছে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম।

মহান আল্লাহ পাক তিনি আরোও ইরশাদ মুবারক করেন-

وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الإِسْلاَمِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ.
অর্থ: “আর যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্যকোন তর্জ-তরীক্বা অনুসরন করবে, তার থেকে সেটা কস্মিনকালেও কবুল করা হবেনা। আর সে আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে।” নাউযুবিল্লাহ!!

মহান আল্লাহ পাক তিনি আরোও ইরশাদ মুবারক করেন-

هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ ۚ وَكَفَىٰ بِاللَّهِ شَهِيدًا ০ مُّحَمَّدٌ رَّسُولُ اللَّهِ ۚ

অর্থ: “তিনি সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি পূর্ববর্তী ওহী দ্বারা নাযিলকৃত সমস্ত দ্বীন এবং পূর্বের, পরের মানব রচিত সমস্ত মতবাদ বাতিল করে দিয়ে একমাত্র সত্যদ্বীন এবং হিদায়েত সহকারে উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন। আর এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার সাক্ষীই যথেষ্ট। সুবহানাল্লাহ! আর রসূল হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

উপোরোক্ত সর্বোচ্চ তাক্বওয়া সম্পন্ন সমস্ত বিষয়গুলো সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অতুলনীয় সুউচ্চ শান-মান, মর্যাদা-মতর্বা, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী সম্মান মুবারক প্রকাশ করে, যা বর্তমান পৃথিবীতে নজীর বিহীন। সুবহানাল্লাহ!!!

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে, উনার মুবারক উছীলায় আমাদের সবাইকে যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, শায়েখে কামিল ওয়া মুর্শিদে মুকাম্মিল, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদা ও সর্বোচ্চ হুসনে যন (সুধারণা) পোষণ করার তৌফিক দান করুন এবং উনার সম্মানিত ক্বদম মুবারকে এসে বাইয়াত গ্রহন করে উনার হাক্বীক্বী মুরীদ হয়ে আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমীন

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে