পর্দা করা মহান আল্লাহ পাক উনারই বিধান, যা প্রত্যেক মু’মিন-মু’মিনাদের জন্য ফরজ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি ঈমানদার নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাজত করে। তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। তবে চলাচলের কারণে অনিচ্ছা সত্ত্বেও যা প্রকাশ পায় তা ব্যতীত এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাতিজা, ভাগিনা, সহধর্মিণী স্ত্রীলোক, অধিকারভুক্ত বাদী আর পুরুষদের মধ্যে যারা অবুঝ আর বালকদের মধ্যে ওই সমস্ত বালক যাদের কাছে মেয়েদের পর্দার বিষয়টা এখনো স্পষ্ট হয়নি, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে যাতে তাদের চুপানো সৌন্দর্য প্রকাশ হয়ে পড়ে। মু’মিনগণ, তোমরা সকলেই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও।” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মেয়েরা পর্দার সাথে থাকবে। কেননা তারা যখন কোথাও বের হয়, তখন শয়তান উঁকি-ঝুঁকি দিতে থাকে, কিভাবে তাদের দ্বারা পাপ কাজ সংঘটিত করা যায়।” (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, “হে হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! আপনি আপনার দৃষ্টি অনুসরণ করবেন না, প্রথম দৃষ্টিকে ক্ষমা করা হবে কিন্তু দ্বিতীয় দৃষ্টিকে ক্ষমা করা হবে না।” অর্থাৎ প্রত্যেক পলকে বা দৃষ্টিতে একটি করে কবীরা গুনাহ হবে। উপরোক্ত কুরআন শরীফ এবং হাদীছ শরীফ দ্বারাই বুঝা যায় যে, পর্দা পালন করা ফরয এবং যে কোনো অবস্থায় যে কোনো পরিস্থিতিতে যেখানে পর্দা করা ফরয সেখানে পর্দা করতেই হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে