পর্দা-পুশিদার বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রত্যেক পুরুষ এবং মহিলার জন্য ফরয


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে আর যে দেখায় উভয়ের প্রতিই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত বর্ষিত হয়।” নাউযুবিল্লাহ! এই একটি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমেই প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য পর্দা রক্ষা করা যে কতটুকু জরুরী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তা সহজেই প্রমাণ হয়। এর থেকে বুঝা গেলো, কোনো বেগানা পুরুষ যেমন কোনো বেগানা নারীর দিকে ইচ্ছা করে দৃষ্টিপাত করা, কথা বলা, সম্পর্ক গড়া ইত্যাদি করতে পারবে না, ঠিক তদ্রপ একজন বেগানা মহিলও ইচ্ছা করে কোনো বেগানা পুরুষদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ, কথা বলা, সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করা ইত্যাদি কোনোটাই করতে পারবেন না। প্রত্যেকটাই হারাম ও কবীরা গুনাহ হবে। আর এ বিষয়ে উদাসীন থাকা, গাফেল থাকা মুসলমান উনাদের জন্য কুফরীর কারণ হবে। বলার অপেক্ষায় রাখে না, বর্তমানে রাস্তাঘাটে চলার পথে, অফিস-আদালত কর্মস্থলে যাবার কালে, পাবলিক পরিবহনে, কিংবা বাজার মার্কেটে কেনা-কাটার কালে এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপকভাবে বেপর্দা-বেহায়াপনার সম্মুখীন হতে হয়। শালীনতা বলতে যে বিষয় সেটা মহিলাদের থেকে উঠে গেছে বললেই চলে। আর এ মহিলারা কোনো না কোনো পুরুষ দ্বারা পরিচালিত বা রিযিকপ্রাপ্ত। অতএব, এদের এমন বেপর্দা-বেহায়াপনার লা’নত ঐসব দায়িত্বশীল পুরুষদেরকেও ভোগ করতে হবে। নাউযুবিল্লাহ! এসব পুরুষ-মহিলা উভয়ের বের্পদা হবার কারণে সমাজে অশ্লীলতা সয়লাব হয়ে বহু বহু ফিতনা-ফাসাদের জন্ম হয়। ঐসব ফিতনা-ফাসাদ এবং খোদায়ী লা’নত থেকে বাঁচতে হলে পুরুষ-মহিলা উভয়কেই এখন থেকে ইসলামী তথা খাছ শরয়ী পর্দা-পুশিদার বিষয়ে সর্তক সচেতন হওয়া এবং তা যথাযথভাবে পালন করা ফরয।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে