পর্যাপ্ত সংখ্যক পবিত্র কুরবানী পশুর হাট মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার


বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১(১)(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।’
১২(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে- “কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন বিলোপ করা হইবে।”
উপরে বর্ণিত সংবিধানের ধারাসমূহ দ্বারা এটা স্পষ্ট, বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে এবং সরকার তার সাথে ধর্ম পালনে কোনোরূপ বৈষম্যমূলক আচরণ করতে পারবে না।
কিন্তু দেখা যাচ্ছে, পবিত্র ‘কুরবানী’ মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার হওয়ার পরও সেই কুরবানীতে নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, কুরবানী করতে অনুৎসাহিত করার লক্ষ্যে হাটগুলো দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে, পর্যাপ্ত হাটের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। নাউযুবিল্লাহ!
বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে তাই বলতে হয়, সরকার যদি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান মেনেই চলে, তবে তার উচিত- মুসলমানদের কুরবানীতে কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি না করে বরং সে লক্ষ্যে পর্যাপ্ত হাটের ব্যবস্থা করে দেয়া, যেন মুসলমানরা সুবিধা মতো ও স্বাচ্ছন্দ্যের সহিত প্রয়োজনীয় পশু ক্রয় করতে পারে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে