পশ্চিমার অনুকরনে গনতন্ত্র চর্চায় বাহবা দেয়া হয়, কিন্তু জনস্বার্থের জন্য মিডিয়া নিয়ন্ত্রের নীতিমালার বিরুদ্ধে এত হাউকাউ কেন?


দেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগন মুসলিম। এদেশের শাসন ব্যবস্থা গণতন্ত্র। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রে যে কোন ধর্ম যে কেউ পালন করতে পারবে। এবং রাষ্ট্রযন্ত্র জনগণের ধর্ম পালনে কোন হস্তক্ষেপ করবে না। বরং সহযোগীতা করবে।
পুজা পালনের সময় সরকারের পক্ষ থেকে পুলিশ দিয়ে পাহারার ব্যবস্থা করে। সরকারীভাবে আর্থিক সহযোগীতা করে(যদি ও এ অর্থ সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের)।
কিন্তু মুসলমানের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য সহযোগীতা কোন সরকারই কখনো করেনি। ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় সাহায্য সহযোগীতা করেনি।
(উদাহরন:১। মুক্তমনা(মূত্রমনা) নামক কুলাঙ্গার ব্লগ অনেক অভিযোগের পরেও সংখ্যাগরিস্ট মুসলমানের দেশে চলছে।)
২/ বাংলাদেশে বিগত বৎসরগুলোতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কটূক্তি ও বেয়াদবী করা হয়েছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, বরং উল্টো মুসলমানদের হয়রানি হতে হয়েছে।

সম্প্রতি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শান ব্যঙ্গ ও বিকৃত করে চলচ্চিত্র প্রকাশিত(নাউযুবিল্লাহ!) হওয়ার পর সরকার দায়ে পড়ে কোন রকম একটা বিবৃতি দেয় এবং ইউটিউব সহ কিছু সাইট নিয়ন্ত্রন(!) করার পদক্ষেপ নেয়।
এতে ইসলাম বিদ্বেষী গোষ্ঠীর গেলমানদের হাউকাউ আর মাতম শুরু হয়।

কিন্তু ওই গেলমানরা তো ভালো করেই জানে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমেরিকা এবং ইউরোপীয় গংরা তাদের নিউজ এবং মিডিয়াকে কত নিয়ন্ত্রনে রাখে। চীন, রাশিয়া ও এক্ষেত্রে যথেষ্ট কট্টর। গেলমানরা তাদের প্রভুদের গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র চর্চায় সর্বদা তৎপর কিন্তু তাদের অনুসরনে তথ্য ও মিডিয়া নিয়ন্ত্রনে এত সংকোচ করে কেন?
আমেরিকার প্রকৃত আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থা খোদ আমেরিকানরাও অবগত নয়। কারন তাদের মিডিয়া হচ্ছে আরে অভিশপ্ত ইহুদীগংদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সংবাদ পাঠক এবং সাংবাদিকদেরকে ওই বিশেষ কিছু ড্রাফট করা খবর পাঠ করতে হয় এবং ছাপতে হয়।
সে হিসেবে আমাদের দেশের মিডিয়া তো ১০০ তে ১০০০ ভাগ স্বাধীন।

সমস্যা হলো ইসলামের স্বার্থ ন্যূনতম কোথাও রক্ষা করার চেষ্টা করা হলে ইসলাম বিদ্বেষীগোষ্ঠীর গা জ্বালা পোঁড়া শুরু করে। তখন তাদের গেলমানরা হাউকাউ শুরু করে। কিন্তু নিজেদের স্বার্থে ঠিকই মিডিয়াকে তারা নিজের মত ব্যবহার করে।(উদাহরনঃ আমাদের দেশের পত্রিকাগুলোর হালচাল। একেকটা পত্রিকা বিশেষগোষ্ঠী কুটচাল বাস্তবায়নে ব্যস্ত।)
গেলমানদের জেনে রাখা উচিত সব কিছুর শেষ আছে। আর বিড়ালের মত নিজের মল ছাই দিয়ে ঢেকে রাখলেও মানুষ সবই দেখে। তাই জনগন ও গেলমানদের চিনে রেখেছে। সময়মত কথা হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে