পাঠ্যবইয়ের অন্তর্ভুক্ত রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই চরম অবমাননাকর, বিভ্রান্তিকর ও কুফরী বক্তব্য


স্কুল কলেজগুলোর অধিকাংশ রচনা বা লেখনীগুলোর কোন অমুসলিম, কোনটা বিধর্মী, কোনটা নস্তিক, কোনটা ইসলামবিদ্বেষী লেখকদের লেখা। এছাড়া বাকি যে লেখাগুলো আছে তার লেখকরাও কি ধরনের মুসলমান সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ। কারন সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে রচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যেই রয়ে গেছে ষড়ষন্ত্রমূলক বিভ্রান্তিকর, অবমাননাকর, মিথ্যা ও কুফরী বক্তব্য।
উদাহরণত ওয়াজেদ আলী নামক এক চরম গুমরাহ ফাসিক লেখকের একটি রচনার শিরোনাম হলো ‘মানুষ মুহম্মদ (স.)’। নাউযুবিল্লাহ! রচনাটির নামকরণ থেকেই স্পষ্ট লেখাটি যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রচনাটির প্রতিটি লাইনে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাধারণ মানুষের মতো করেই উপস্থাপন করার সর্বোচ্চ অপচেষ্টা করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সময়কার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আফদ্বালুন নাস বাদাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খুতবা মুবারককে সম্পূর্ণ বিকৃতভাে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিভিন্ন অংশকেও বিকৃত করে অনুবাদ করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘ত্রুটিযুক্ত’ বলেও বিভিন্নস্থানে উল্লেখ করা হয়েছে। এককথায় এই রচনাটি পড়ে এবং এরূপ বিশ্বাস পোষণ করে কস্মিনকালেও ঈমানদার মুসলমান থাকা সম্ভব নয়।
এ ধরনের বইগুলো পড়েই আজকের কথিত মুসলমানরা বলে থাকে ‘তিনি আমাদের মতো মানুষ’। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম জীবনী মুবারক নিয়ে বিভিন্ন ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরামসহ অনেক বিখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্বগণের অসংখ্য ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য লেখা থাকা সত্ত্বেও এক ফাসিক গুমরাহ লেখকের ভুলে ভরা বিভ্রান্তিকর তথ্যমূলক রচনা পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা যে গভীর ষড়যন্ত্র মূলক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
মূলত, বর্তমানে দেশের সিলেবাসে যা কিছু আছে তার সর্ম্পূণটাই মুসলমান ও দ্বীন ইসলাম উনার বিপক্ষে। শীঘ্রই এই কুফরী শিক্ষানীতিকে পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করার সার্বিক পদক্ষেপ নিতে হবে। আর এই দায়িত্ব প্রথমত দেশের কোটি কোটি কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের পিতা-মাতা তথা অভিবাবকদের, সর্বোপরি দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে