পার্বত্য চট্টগ্রামকে ছিনিয়ে নেয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর উপজাতিগোষ্ঠী


১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার “পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি” নামীয় অশান্তির বীজ বপন করে। সরকারের পক্ষে তখন চীফ হুইপ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির পক্ষে লারমা এই প্রহসনমূলক চুক্তিরতে স্বাক্ষর করে। তারই রেশ ধরে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ১৭ই রজবুল হারাম ১৪৩৪ হিজরী মুতাবিক ২৭-০৫-২০১৩ তারিখে রোজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের সভায় বহুল বিতর্কিত কথিত পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন আউনের সংশোধনী প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়। যেভাবে সংশোধনী আনা হচ্ছে তাতে কোনো বিষয়ে ভূমি কমিশনের চেয়ারম্যান আপত্তি দিলেও তা কোনো কাজে আসবে না। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তিনজন উপজাতীয় সদস্য যে মত দিবে তাই-ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গৃহিত হবে। কমিশনের কর্তৃত্ব চলে যাবে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ তথা জেএসএস-এর হাতে। এ ধরনের আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের এক-দশমাংশ ভূমি “পার্বত্য চট্টগ্রাম” যে সরকারের কর্তৃত্ব হারাচ্ছে তা স্পষ্ট প্রতিয়মান।
অতএব, যারা উচ্চ আদালতের উদাহরণ চেনে এনে তথাকথিত “পার্বত্য ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন” সংশোধনের মাধ্যমে চেয়ারম্যানের ক্ষমতা হ্রাস করে পার্বত্য ভূমি ব্যবস্থাপনার কর্তৃত্ব উপজাতীয়দের হাতে তুলে দিতে চায় তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তাছাড়া আমাদের এটাও বিবেচনায় রাখতে হবে যে, উপজাতীয় অনেক সন্ত্রাসী নেতা প্রকাশ্য কিংবা গোপনে এখনো স্বাধীন ‘জুম্ম ল্যান্ড’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য সশন্ত্র সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার কি অন্ধ নাকি অন্য কিছুর মোহে লালয়িত? তারা কি স্বজ্ঞানেই নিজের পায়ে কুড়াল মারছে?

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে