সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

পিতা-মাতা উনাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্য


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম পাক উনার পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল শরীফ উনার ২৩ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের রব তায়ালা তিনি আদেশ মুবারক দিয়েছেন যে, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ব্যতীত কারো ইবাদত করো না। তোমাদের দায়িত্ব পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা। তাদের একজন অথবা দু’জন বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা বয়সে পৌঁছলে উনাদের প্রতি কোনো কাজে ‘উফ’ বলো না। উনাদের সাথে নরমভাবে দয়ার সাথে, ইহসানের সহিত কথা বলো সম্মান সূচকভাবে।
এখন আমরা এই পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা বুঝতে পারলাম যে, পিতা-মাতা উনাদের মর্যাদা কত, যে মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং আমাদের উচিত উনাদের সাথে খারাপ ব্যবহার না করা।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “একবার একজন ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা মুবারক করলেন, আমার নিকট সর্বাধিক হক্বদার কে? তিনি বললেন- তোমার মাতা। অতঃপর কে? তিনি বললেন- তোমার মাতা। অতঃপর কে? তিনি বললেন- তোমার মাতা। তিনি আবারও জিজ্ঞাসা করলেন- অতঃপর কে? তিনি বললেন- তোমার পিতা; অতঃপর তোমার আত্মীয়-স্বজন।”

সুতরাং এ পবিত্র আয়াত শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা বুঝতে পারলাম, পিতা-মাতা উনাদের মর্যাদা-মর্তবা কত? সুতরাং আমাদের প্রতেকের উচিত পিতা-মাতা উনাদের খিদমত করা এবং উনাদের সাথে সদ্ব্যবহার করা।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে পিতা-মাতা উনাদের খিদমত করার তাওফীক দান করুন। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে