পৃথিবীর বিস্ময়কর কিছু সত্য ঘটনা এবং মজার সব তথ্য-৩


শিয়া ও সুন্নি মাযহাবের মূল্য গ্রন্থাবলীর সাক্ষ্য অনুযায়ী আমিরুল মু’মিনীন হযরত আলী ইবনে আবু তালিব আলাইহিস সালাম, আবরাহা কর্তৃক মক্কা আক্রমনের ৩০ বছর পর (হস্তিসনের ৩০তম বছরে) মক্কা নগরীতে পবিত্র কা’বা গৃহে জন্মলাভ করেন। আরব ঐতিহাসিকগণ লিখেছেন যে, যখন হযরত আলী আলাইহিস সালাম এর মাতা ফাতেমা বিনতে আসাদ প্রসব বেদনা উঠে তখন কা’বা গৃহের নিকটে এসে তিনি এভাবে মুনাজাত করেন : ‘হে খোদা! আমি আপনার প্রতি, আপনার সকল নবীদের প্রতি এবং যে সকল গ্রন্থ আপনি প্রেরণ করেছন তার প্রতি ঈমান পোষণ করি। আমার পূর্বপুরুষ ইব্রাহিম খলিল আলাইহিস সালাম যিনিএ গৃহ নির্মাণ করেছেন –এ কথা সত্য হওয়ার সাক্ষ্য আমি দেই। হে আল্লাহপাক! এ গৃহ নির্মাণকারীর কসম এবং যে নবজাত আমার রেহেমে রয়েছে তার কসম, তার ভূমিষ্ট হওযাকে সহজ করে দিন। এ দোয়ার পর হঠাৎ কা’বা গৃহের দেয়াল ফেটে যায় এবং ফাতেমা বিনতে আসাদ কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন উপস্থিতদের দৃষ্টির অন্তরালে চলে যান, অতঃপর কা’বার দেয়াল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। ঘটনার সাক্ষী সন্ত্রস্ত জনগণ কা’বা গৃহের দরজায় ঝুলানো তালা খুলে দরজা খোলার চেষ্টা করে, কিন্তু তা না খোলায় তারা বুঝতে পারলো যে নিশ্চয় এর নেপথ্যে কোন রহস্য রয়েছে এবং এ ঘটনা স্বয়ং মহান আল্লাহর পক্ষ হতে। যে স্থানটি আমিরুল মু’মিনীন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত আম্মার জন্য ফেটে গিয়েছিল সে স্থানটিকে বর্তমানে ‘মুস্তাজার’ বলা হয়, যা ‘রুকনে ইয়ামানী’র একেবারে কাছে। ঐ দিন হতে ১৪৪০ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বারংবার কা’বা গৃহ সংস্কার করা হয়েছে কিন্তু সংস্কারের পরপরই পূনরায় ঐ স্থানে ফাঁটলের সৃষ্টি হয়। এমনকি ঐ স্থানের পাথরগুলো পরিবর্তনের পরও সেস্থানে পূনরায় ফাঁটল ধরে। সংস্কারকৃত পবিত্র কা’বা দেয়ালের ফাঁটলের ঐ স্থানটির চিত্র :

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+