সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কিছু জিনিস + সাহারা মরুভূমির জানা-অজানা




Donghai Bridge পৃথিবির সবচেয়ে দীর্ঘ সামুদ্রিক সেতু (Cross Sea Bridge), ৩২.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি চীনে অবস্থিত।

৩। মসজিদ

এশিয়ার সবচেয়ে বড় মসজিদটির নাম হচ্ছে Shah Faisal মসজিদ। পাকিস্থানের ইসলামাবাদে এটি অবস্থিত। এর ভিতরে অংশে ৩৫,০০০ জন ও বাইরের অংশে ১,৫০,০০০ জন মুসুল্লি এক সাথে নামাজ দাঁড়াতে পারেন।

হোটেল

বিশ্বের একমাত্র ৭ তারা হোটেলটি হচ্ছে দুবাইয়ের Burj Al Arab Hotel, পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল হোটেল এটি।

ফ্লাই অভার

পৃথিবীর সবচেয়ে প্যাচালো ফ্লাই অভার রয়েছে টেক্সাসে। ১০টি হাইওয়ে এসে নিজেদের মাঝে ইন্টার চেঞ্জ করেছে এই প্যাচালো ফ্লাই অভারের মাধ্যমে।

এ্যাক্সেভেটর

দুনিয়ার সবচেয়ে বড় দানব আকৃতির এ্যাক্সেভেটর (Excavator) টি। তৈরি করেছে KRUPP নামের জারমানির প্রতিষ্ঠান। এটির ওজন ৪৫,৫০০টন, উচ্চতা ৯৫ মিটার আর লম্বায় মাত্র ২১৫ মিটার।

অফিস কম্পেক্স

আমেরিকার Chicago Merchandise Mart হচ্ছে পৃথিবির সবচেয়ে বড় অফিস কম্পেক্স।

সাহারা মরুভূমিকে ইংরেজীতে বলা হয় The Great Desert । সাহারা মরুভূমি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। এই মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। সাহারার বিস্তৃতি ৯৪,০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার, ফলে উত্তর আফ্রিকার প্রায় সবটা জুড়েই এর বিস্তার। মিশর, মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, সুদান, নাইজার, মালি প্রভৃতি দেশ পর্যন্ত সাহারা মরুভুমি বিস্তৃত।

পৃথিবীর প্রথম সাগরের নীচে তৈরি করা রেস্টুরেন্ট হল Ithaa undersea restaurant ,১৭৫ টনের ওজনের এই রেস্টুরেন্টকে সাগরের নীচে নিতে এর সাথে আরও যোগ কোর্টে হয়েছিল ৮৫ টন পাথর।যাইহোক ৫ মিলিয়ন ডলার ব্যায়ে তৈরি এই রেস্টুরেন্টে খাবারের সাথে উপভগ করা যায় ভারত মহাসাগরের নিচের অপার সৌন্দর্য

সারা সাহারা মরুভূমি জুড়েই রয়েছে পাহাড়, মালভূমি, বালি ও অনূর্বর ভূমি। বেশ কিছু মরূদ্যান ও আছে সাহারাতে। এই সমস্ত মরুদ্যানেই সাহহারার বেসির ভাগ লোক বাস করলেও কিছু কিছু যাযাবর উপজাতিরা বাস করে আরো দুর্গম অঞ্চলে। এদের সবাইকে নিয়ে সাহারা মরুভূমি জুড়ে এর লোকসংখ্যা ২০ লক্ষের বেশি হবে না। এদের মূল জীবিকা ছাগল, ভেড়া, ও উট পালন আর খেজুড়, গম, বার্লি ইত্যাদি চাষ করা।

 

মরুভূমি বলেই যে সাহারাতে মূল্যবান কিছু নেই, তা কিন্তু নয়। নানান ধরেন মূল্যবান খনিজ পদার্থ রয়েছে সহারাতে। বিশেষ করে সাহারা মরুভূমির লিবিয়া ও আলজেরিয়া অংশে রয়েছে প্রচুর তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ। তাছাড়া আরো রয়েছে তামা, লোহা, ফসফেট ইত্যাদি অনেক খনিজ পদার্থ সারা সাহারা জুড়েই।

সাহারার আবহাওয়া মাত্রাতিরিক্ত গরম ও শুকনো। অবশ্য এই গরম শুধু দিনের বেলাতে রেত কিন্তু বেশ ঠান্ডা পরে। এমনকি কখনো কখনো পাহারের চুড়ায় বরফও জমতে দেখা যায়। শীতকাল ও গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ১০ থেকে ৪৩ ডিগ্রী সে. পর্যন্ত ওঠা-নামা করে। সাহারায় বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০ সেমি মত। কখনো কখনো হানাদেয় ভিষন ধুলি ঝড়।

সাহারাতে গাছযে শুধু মরুদ্যানেই জন্মে তা কিন্তু নয়। দেখা যায় মরুদ্যান ছাড়াও মরুভুমির কোনো কোনো জায়গায় ঘাস, গুল্ম ও ছোট গাছ জন্মে। এই গাছগুলি তাদের প্রয়োজনীয় পানির সন্ধানে তাদের শিকড় বালি বা মাটির খুব গভীর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রেই গাছগুলি বাতাস থেকে পাতার মাধ্যমে পানি সংগ্রহ করে।

সাহারা মরুভূমি যেমন জনবিরল তেমনি অন্যান্য প্রাণী-প্রজাতির সাংখ্যাও খুব বেশি সেখানে নেই। সেখানকার প্রাণীদের মধ্যে উট, সাপ, গিরগিটি, শিয়ালের, এ্যাডেক্স এ্যান্টিলোপ, উট পাখি, গাজলা হরিণ, মরুছাগল ইত্যাদির নাম উল্লেখ করা যায়। তবে প্রত্নতাত্নিকদের মতে দশ হাজার বছর আগে সাহারার আবহাওয়া এখনকার মত এতোটা খারাপ ছিলো না, বরং অনেকটাই ভালো ছিলো। তখন সাহারাতে ছিলো হ্রদ ও ছোট নদীর অস্তিত্ব। তখন সাহারা জুড়ে চড়ে বেড়াতো হাতি, জিরাফ ও অন্যান্য প্রাণীরা। কিন্তু সেই দিন এখন আর নেই।

 

আরো কিছু ছবি দেখুন সাহারা মরুভূমির-

মরুভূমির নির্জন প্রান্তে মরূভূমির জলদস্যুর সাথে এই নিরানন্দ ভ্রমণের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আশা করি আবার দেখা হবে অন্য কোনো সরসভূমে, অন্য কোন সময়। ততো দিন ভালো থাকবেন।

 

 

Views All Time
3
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

৫টি মন্তব্য

  1. দেখার মতো পোষ্ট! তবে এ্কটি প্রাণীর ছবিযুক্ত এটাচমেন্ট আছে। তা সরিয়ে ফেলার জন্য অনুরোধ করছি…… Camera

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে