পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছু নেই


পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াহ উনাদের আক্বীদাহ হলো, “অশুভ বা কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই, তবে সুলক্ষণ বা শুভ বিষয় রয়েছে।”
তাই পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছু নেই। অতএব, পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে ঘিরে যারা পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছু আছে বলে বিশ্বাস করে, তাদের সে আক্বীদা ভ্রান্ত।
মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ ৩৯১ পৃষ্ঠা ও শরহুস সুন্নাহ শরীফ ৬ষ্ঠ খ- ২৭১ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে: সাইয়্যিদুনা হযরত রসূলুল্লাহ, নবীউল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই। পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছু নেই। তারকার (উদয় বা অস্ত যাওয়ার) কারণে বৃষ্টি হওয়াও ভিত্তিহীন এবং পবিত্র ছফর শরীফ মাসে অশুভ বলতে কিছু নেই।”
পেঁচা হলো মহান আল্লাহ পাক উনার মাখলূক বা সৃষ্টি প্রাণী; যা ডানাধারী, বড় চোখ বিশিষ্ট, অন্ধকারপ্রিয় এক প্রকার পাখি। যে প্রাণীটিকে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজ ইচ্ছায় মানানসই করে তৈরি করেছেন। যা মানুষের কল্যাণের জন্যই তৈরি করা হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টির কোথাও কোনো অংশে কোনো অমিল নেই। পেঁচার কী কোনো শক্তি আছে যে, যা অকল্যাণ বা অলক্ষণ বয়ে আনবে? কস্মিনকালেও তার এ শক্তি নেই। তাহলে কিভাবে বলা যেতে পারে যে, পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণ আছে। নাঊযুবিল্লাহ! মূলত পেঁচার মধ্যে তো কুলক্ষণের কিছু নেই, তেমনি পবিত্র ছফর শরীফ মাসসহ কোনো কিছুতেই কুলক্ষণের কোনো কিছু নেই।
এ বিষয়গুলো সঠিকভাবে বুঝতে হলে, বর্তমান পঞ্চদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দায়িমী সান্নিধ্য প্রয়োজন। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে তা নছীব করুন। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে