প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসীলাতেই কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে সর্বদাই কিছু ওলীআল্লাহ, গউছ, কুতুব থাকেন; উনাদের উসীলায় মানুষ বৃষ্টি, রহমত ও রিযিক লাভ করে থাকে।” সুবহানাল্লাহ!
প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসীলাতেই কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু অনেকেই এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে না। কাফির-মুশরিকদের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের কারণে সাধারণ মানুষ মনে করে- ‘কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীরাই বোধহয় মুসলমানদের খাদ্যের ব্যবস্থা করে থাকে।’ নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এরূপ আক্বীদা পোষন করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
মূলত সত্য কথা এই যে, কাফির-মুশরিকগুলো মুসলমান দেশ থেকে লুটপাট করে নিজ দেশে খাদ্যের ব্যবস্থা করে থাকে। অর্থাৎ মুসলমানরাই কাফির-মুশরিকদের রিযিকের ব্যবস্থা করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “যমীনে সর্বদাই কিছু ওলীআল্লাহ, গউছ, কুতুব থাকেন; উনাদের উসীলায় মানুষ বৃষ্টি, রহমত ও রিযিক লাভ করে থাকে।” প্রকৃতপক্ষে মুসলমান উনাদের উসীলায় কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু পৃথিবীর অনেক মুসলমান এই বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেন না।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অনেকেরই জানা নেই, প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বাংলাদেশী রফতানীকারকরা প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার শুল্ক পরিশোধ করে; যা বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মোট রফতানীর প্রায় ১৬ শতাংশ। অথচ ফ্রান্স বা জার্মানি শুল্ক দিচ্ছে ৪ শতাংশের কম। এশিয়ার দুটি প্রধান দেশ চীন এবং ভারতের রফতানী যথাক্রমে ২১ এবং ১৯ ভাগ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ প্রভাবাধীন সংস্থা আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলও (আইএমএফ) বলেছে, শিল্পায়িত দেশগুলোর বেশিরভাগ আমদানি পণ্যের উপর শুল্ক থাকলেও কৃষি, শ্রম পণ্য যেগুলো গরিব দেশ থেকে আসে, তার অনেকগুলোর উপরই মার্কিন শুল্ক হার অস্বাভাবিক রকম বেশি, গড় শুল্কহারের চেয়ে কখনো ১০ থেকে ২০গুণ বেশি। কাপড় ও সুতার উপর আমদানি শুল্ক শতকরা ১১ থেকে ৪৮ ভাগ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের তুলনা করে আইএমএফ স্বীকার করেছে যে, যে বছরে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার পণ্য আমদানি বাবদ ৩৩ কোটি ডলার আমদানি শুল্ক আয় করলো, সেই বছরেই সমপরিমাণ শুল্ক তারা ফ্রান্সের কাছ থেকে আয় করলো তিন হাজার কোটি ডলার পণ্য আমদানির জন্য। অর্থাৎ কথিত ধনী প্রকৃতপক্ষে ফকির দেশের তুলনায় বাংলাদেশকে ১০ থেকে ১২গুণ বেশি শুল্ক দিতে হচ্ছে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের গার্মেন্টস রফতানীর প্রায় ২৩ ভাগ গেছে, সেই হিসাবে গেল বছরেও বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রকে শুল্ক বাবদ প্রদান করেছে কমপক্ষে ৫৬০০ কোটি টাকা। এটা যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে ঋণ নানাভাবে বাংলাদেশে আসে তার ছয়গুণেরও বেশি। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে নয়; বরং বাংলাদেশই যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থের যোগান দিচ্ছে প্রতিবছর।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশের মার্কিন ঋণ বর্তমানে নেহাতই কম এবং ক্রমহ্রাসমান। অর্থাৎ বাংলাদেশই যুক্তরাষ্ট্রসহ রাশিয়া, চীন, জাপান, ভারতসহ সব কাফিরদেরকে খাবার দেয়, অর্থ দেয়, সাহায্য করে। অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে বিধর্মীরা বাংলাদেশকে খাবার দেয় না, অর্থ দেয় না, সাহায্যও দেয় না। অর্থাৎ সমস্ত কাফির-মুশরিকগুলোই মুসলমানদের উসীলাতেই এবং মুসলমান দেশে লুটপাট করে নিজ দেশে খাদ্যের ব্যবস্থা করার কোশেশ করে। অর্থাৎ মুসলমান উনারাই কাফির-মুশরিকদের রিযিকের ব্যবস্থা করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে